পশ্চিম তীর জুড়ে ইসরায়েলের সহিংস অভিযান, ২ কিশোরকে হত্যা

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে বন্দুক হামলায় অন্তত ৬ জন নিহতের পর পশ্চিম তীর জুড়ে সহিংস অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ সময় ১৪ বছর বয়সী দুই ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করেছে আইডিএফ। আহত হয়েছে আরও কয়েকজন। জেরুজালেমে সামরিক তৎপরতা বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

গাজার পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরেও আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরায়েল। অভিযান চালিয়ে ফিলিস্তিনিদের ধরপাকড় ও হত্যা করছে আইডিএফ। বোমা হামলা ও বুলডোজার দিয়ে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিম তীরে আরও অবৈধ বসতি নির্মাণের পরিকল্পনাও করছে ইসরায়েল।

নির্যাতনে পিছিয়ে নেই পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরাও। স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা, মারধরের পাশাপাশি প্রায়ই তাদের বাড়িঘর, গাছপালা ও কৃষিজমি পুড়িয়ে দিচ্ছে।

সোমবার জেরুজালেমের উপকণ্ঠে একটি বাসস্টপে বন্দুক হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হন। হামলার জন্য অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে আসা দুই ফিলিস্তিনিকে দায়ী করা হয়। পরে তাদের হত্যা করে ইসরায়েলি পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারীদের ব্যবহৃত বেশ কিছু অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ছুরি উদ্ধারের দাবি করেছে তারা।

জেরুজালেমে হামলার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হামলাকারী সবাইকে বিচারের আওতায় আনার পাশাপাশি পশ্চিম তীরে সামরিক তৎপরতা বাড়ানোর অঙ্গীকার করেন তিনি।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা পশ্চিম তীরে অভিযান জোরদার করবো। ইতোমধ্যে আমাদের সেনারা সেখানকার গ্রামগুলোতে অভিযানে নেমেছে। হামলাকারীদের সহায়তাকারী এবং যারা তাদের পাঠিয়েছিল সবাইকে খুঁজে বের করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে, বন্দুক হামলার ঘটনার জেরে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের মধ্যবর্তী চেকপয়েন্টগুলো বন্ধ করে দিয়েছে আইডিএফ। এরপর কয়েকটি ফিলিস্তিনি গ্রামে অভিযান চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর ও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে তারা।