কোরবানির ঈদ উপলক্ষে প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে পশু লালনপালন করছেন খামারিরা। তবে পশুখাদ্যের দাম বাড়ায় এ বছর লাভ কম হওয়ার শঙ্কা তাদের। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সীমান্তপথে ভারত থেকে গরু আনা বন্ধে সরকারের কঠোর নজরদারি চান তারা।
কোরবানির ঈদ সামনে অনেক এলাকায় গরু কেনাকাটা শুরু করেছেন ব্যাপারিরা।
চুয়াডাঙ্গায় এবার কোরবানির হাটের জন্য প্রস্তুত ২ লাখ ২ হাজার গরু-ছাগল। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে লালনপালন করলেও পশুখাদ্যের দাম বাড়ায় লাভ নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা।
নেত্রকোণায় এবার কোরবানির পশুর চাহিদা ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৭টি। তবে জেলার প্রায় ১২ হাজার খামারে প্রস্তুত আছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৮৮ গরু-ছাগল। প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে বড় করা এসব পশুর কদরও বেশি বাজারে। মধ্যবিত্ত শ্রেণির কাছে বিক্রির জন্য ১ থেকে ২ লাখ টাকার মধ্যে গরু প্রস্তুত করছেন খামারিরা।
শেরপুর সীমান্তের গারো পাহাড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে পালন করা হচ্ছে দেশি গরু। রয়েছে ক্রেতাদের চাহিদাও।
দেশি গরুর ওপর আস্থা রাখার পরামর্শ দিচ্ছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু প্রবেশ ঠেকাতে থাকবে নজরদারি।
শেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রেজওয়ানুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘খামারিরা যাতে নায্যমূল্য পায় আমাদের সেই চেষ্টাই থাকবে।’
শেরপুরের ৩ উপজেলায় এবার প্রায় ১৫ হাজার গরু প্রস্তুত করা হয়েছে।



