নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিক্রি কমেছে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত। তাই, বাধ্য হয়েই খাবারের দাম বাড়াতে চান রেস্তোরাঁ মালিকরা। শনিবার রাজধানীর পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা। এসময় খাবারের দাম সমন্বয়ে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ বন্ধসহ ৯ দফা দাবি তুলে ধরেন হোটেল ব্যবসায়ীরা।
দীর্ঘদিন ধরেই অস্থিতিশীল নিত্যপণ্যের বাজার। এরই মধ্যে, গেল মাসে জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে পণ্যমূল্যেও।
এমন পরিস্থিতিতে, পরিচালন খরচ বৃদ্ধিসহ নানা সংকটে পড়েছে হোটেল, রেস্তোরাঁ খাত। এ খাতের সংকট নিরসনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।
সম্মেলনে রেস্তোরাঁ মালিকরা বলেন, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ না পেয়ে বাধ্য হয়ে চড়া দামে সিলিন্ডার ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়ছে বহুগুণে। একই সঙ্গে ক্রেতা কমেছে আগের চেয়ে বেশি। খরচ বাড়লেও অনেকে খাবারের দাম সমন্বয় করতে পারছেন না।
খাবারের দাম বাড়ালে প্রশাসনের চাপ ও হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। রেস্তোরাঁ খাতের চাহিদা পূরণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে গরুর মাংস আমদানির অনুমতিও চায় সংগঠনটি।
রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য ও শ্রমিকদের মজুরি বাড়ায় চরম সংকটে পড়েছে রেস্তোরাঁ খাত। বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে দাম সমন্বয়ের বিকল্প নেই।’
রেস্তোরাঁ খাতের টেকসই উন্নয়নে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু, ভ্যাট আদায়ে হয়রানি বন্ধসহ ৯ দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।


