দেশে প্রতি বছর বজ্রপাতে মারা যায় ৩০০ থেকে সাড়ে ৩৫০ জন মানুষ। তবে বজ্রপাতে মৃত্যুহার কমাতে পারে সচেতনতা। আবহাওয়াবিদ ও গবেষকেরা বলছেন, বেশ কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপে মৃত্যু কমানো সম্ভব অনেকাংশে।
বিশ্বের বজ্রপাতপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে একটি বাংলাদেশ। সুনামগঞ্জ, সিলেট, জামালপুর, শেরপুর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও রাজশাহীতে বজ্রপাতের রেকর্ড বেশি। তালিকায় আছে বগুড়াও।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ বলেন, এবার বর্ষার আগেই নিয়মিত বৃষ্টির সঙ্গে হচ্ছে বজ্রপাতও। দেশে প্রতিবছর বজ্রপাতে মারা যায় ৩০০ থেকে সাড়ে ৩৫০ জন মানুষ। তবে বজ্রপাতে মৃত্যুহার কমাতে পারে সচেতনতা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য-উপাত্ত থেকে দেখা যায়, বজ্রপাতে হতাহতদের বেশিরভাগই কৃষক ও জেলে।
ড. মো. বজলুর রশিদ বলছেন, সতর্ক হলে মৃত্যুহার কমতে পারে ৭০ থেকে ৯০ ভাগ পর্যন্ত।
বগুড়া বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) পরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ বলেন, চলতি মাসের শুরুতে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বৃষ্টির মধ্যে বজ্রপাতে মারা গেছেন দুই ভাই। ধুনটে মৃত্যু হয়েছে আরও দুজনের। এ বছর জেলায় বজ্রপাতে জেলায় মারা গেছেন অন্তত সাত জন। বজ্রপাতে হতাহত কমাতে বগুড়ায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে অর্ধশত বজ্রপাতনিরোধক দণ্ড বসানো হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চরে এ ধরনের দণ্ড বসানোর কাজ চলছে।
বিদেশি একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বছরে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় বজ্রপাত হয় গড়ে ৫০টি।



