ফিফা আসিয়ান কাপে অংশ নিতে বাংলাদেশ দল এই মুহূর্তে ইন্দোনেশিয়ায়। আগামীকাল শুক্রবার টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবেন হামজা চৌধুরী-জামাল ভূঁইয়ারা। আর ১ অক্টোবর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ।
গ্রুপ সঙ্গী তিন দলই র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে। তাই বলে প্রতিপক্ষকে নিয়ে খুব বেশি মাথা ঘামাচ্ছেন না হামজা চৌধুরী। ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলা এ মিডফিল্ডার জানিয়েছেন, কাউকে ভয় পাওয়ার জন্য ইন্দোনেশিয়ায় যাননি তারা।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পাঠানো ভিডিও বার্তায় হামজা চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা খুবই রোমাঞ্চিত এবং এই টুর্নামেন্টে এসে সম্মানিত বোধ করছি। আমাদের জন্য এটি স্পষ্টতই একটি বড় সুযোগ, কারণ আমরা আমাদের চেয়ে র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দলগুলোর বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য যতটা সম্ভব বেশি পয়েন্ট তুলে নেওয়া।’
এরপর নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে হামজা চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা এখানে কাউকে ভয় পেতে আসিনি, আমরা জানি আমাদের সামর্থ্য কতটুকু। তবে ইনশা আল্লাহ, এটি আমাদের জন্য একটি শেখার প্রক্রিয়া এবং আমরা এখান থেকে যতটা সম্ভব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে এসেছি। আশা করি, আমরা আমাদের দেশকে গর্বিত করতে পারব।’
নিজেদের প্রথম ম্যাচে আগামীকাল মালয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এ ম্যাচ নিয়ে হামজা চৌধুরীর ভাষ্য, ‘দেখা যাক আমাদের পারফরম্যান্স কেমন হয়।’
প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়া প্রসঙ্গে হামজা চৌধুরী বলেছেন, ‘তারা স্পষ্টতই র্যাঙ্কিংয়ে বেশ ভালো অবস্থানে আছে। তাদের দলে অত্যন্ত ভালো মানের খেলোয়াড় এবং একজন খুব ভালো হেড কোচ রয়েছেন। বিশেষ করে, আগামী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তারা যদি একদম প্রথম সারিতে থাকে, তবে আমি অবাক হব না।’
হামজা বর্তমানে ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলছেন। ইন্দোনেশিয়ার তরুণ ডিফেন্ডার এলকান ব্যাগটও খেলছেন একই লিগের দল মিলওয়ালে। ব্যাগট প্রসঙ্গে হামজা বলেছেন, ‘বিমানের ফ্লাইটে তাঁকে দেখেছি। আমার মনে হয়, তিনি স্পষ্টতই একজন খুব ভালো খেলোয়াড়, এখনো বেশ তরুণ। মিলওয়াল একটি চমৎকার দল, তাই এই টুর্নামেন্টে এবং অবশ্যই লিগেও তাঁর বিপক্ষে খেলার জন্য আমি মুখিয়ে আছি।’
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ তিনটি ম্যাচই খেলবে জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে। গতকাল বুধবার ভিডিও বার্তা পাঠানোর সময় পর্যন্ত সেই স্টেডিয়াম দেখা হয়নি হামজার। এ প্রসঙ্গে তারকা এই মিডফিল্ডার বলেছেন, ‘স্টেডিয়ামটি আমাদের এখনো দেখা হয়নি। ইনশা আল্লাহ আগামীকাল আমরা স্টেডিয়ামটি দেখব। তবে হ্যাঁ, সবকিছুই খুব ভালো, আমাদের অভিযোগ করার মতো কিছুই নেই। হোটেল অসাধারণ, সবাই ভীষণ বন্ধুত্বপূর্ণ। আমরা বেশ উপভোগ করছি।’



