২০২৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কানাডার কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক অ্যান কারসন। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল প্রায় ৫টার দিকে সুইডিশ অ্যাকাডেমি তাঁর নাম ঘোষণা করে।
অ্যান কারসন ধ্রুপদি সাহিত্যের সঙ্গে সৃজনশীল সংলাপের মধ্য দিয়ে সমকালীন সাহিত্যে নতুন ধারা তৈরি করেছেন। তাঁর সাহসী ও উদ্ভাবনী সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
অ্যান কারসনের পুরো নাম অ্যান প্যাট্রিসিয়া কারসন। তিনি ১৯৫০ সালের ২১ জুন কানাডার টরন্টোর অন্টারিওতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো কর্মজীবনেই কবিতা লেখা, অনুবাদ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার কাজ একসঙ্গে করেছেন।
তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো শব্দের উৎপত্তি ও ইতিহাস নিয়ে গভীর অনুসন্ধান আর নতুন অর্থ খোঁজার চেষ্টা। শব্দের ব্যুৎপত্তিকেই তিনি নিজের সব কাজের শুরুর জায়গা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
অ্যান কারসনের উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে– ইরোস দ্য বিটারসুইট (১৯৮৬), অটোবায়োগ্রাফি অব রেড (১৯৯৮), দ্য বিউটি অব দ্য হাসবেন্ড (২০০১) ও নক্স (২০১০)। বইয়ে প্রেম ও আকাঙ্ক্ষার অনুভূতি নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি। অটোগ্রাফি অব রেড গ্রিক পুরাণের কাহিনি অবলম্বনে লেখা একটি উপন্যাস-কবিতা। আর নক্স বইটি তাঁর প্রয়াত ভাইয়ের স্মৃতিকে ঘিরে তৈরি ব্যতিক্রমী শোকগাঁথা।
সাহিত্যে অবদানের জন্য অ্যান কারসন ম্যাকআর্থার ফেলোশিপ ও টি. এস. এলিয়ট প্রাইজসহ বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন। ২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের মধ্য দিয়ে সমকালীন সাহিত্যে তাঁর স্বতন্ত্র ও উদ্ভাবনী কাজের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মিলল।


