আসামের রাস্তাজুড়ে শুধুই জুবিন! রাজ্যের সাংস্কৃতিক প্ৰতীক গামছায় লেখা ‘চিরকাল জুবিন গার্গ’। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে সদ্যপ্রয়াত গায়ক জুবিন গার্গের কফিনবন্দি মরদেহ গুয়াহাটি বিমানবন্দরে পৌঁছার আগে থেকেই প্রিয় গায়ককে একনজর দেখার জন্য রাস্তায় জড়ো হয়েছেন হাজার হাজার অনুরাগী। অন্যদিকে, স্বামীর কফিন আঁকড়ে ধরে কেঁদে উঠলেন স্ত্রী গরিমা সাইকিয়া গার্গ। শুধু তিনিই নয়, কেঁদেছেন অগণিত অনুরাগীও।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে জুবিন গার্গের মরদেহ বিমানবন্দর থেকে বের হতেই গুয়াহাটির রাস্তায় জনস্রোত নেমেছে। ছোট-বড় সংগীতানুরাগীরা তাঁকে শেষ দেখার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে আকস্মিক মারা যান ‘ইয়া আলি’খ্যাত গায়ক, আসামের ভূমিপুত্র জুবিন গার্গ। এই খবর দাবানলের গতিতে ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে আসে ভারতের সংগীতাঙ্গনে। মাত্র ৫২ বছর বয়সে জীবনের মঞ্চ থেকে বিদায় নিলেন তিনি।
আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা শোকসংবাদ পাওয়ার পর রাজ্যে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। গায়কের মৃত্যু ঠিক কী কারণে—এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত দাবি করেছেন তিনি। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে সিঙ্গাপুর থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে জুবিনের মরদেহ পৌঁছানোর পর সেখানেই শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, গুয়াহাটি বিমানবন্দর থেকে জুবিনের মরদেহ নেওয়া হয়েছে অর্জুন ভোগেশ্বর বড়ুয়া স্পোর্টস কমপ্লেক্সে। সেখানে জনসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য মরদেহ রাখা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে তা শুরু হয়েছে। শ্রদ্ধা অর্পণ চলবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। তারপর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।



