জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন দেশের বরেণ্য ব্যক্তিত্বরা। এবারের তালিকায় রয়েছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও নির্মাতা হানিফ সংকেত ও সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ।
মনোনীত তালিকায় সাত নম্বরে রয়েছে এ, কে, এম হানিফ (হানিফ সংকেত)-এর নাম। এরপরেই আট নম্বরে রয়েছে উপমহাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বশির আহমেদের (মরণোত্তর) নাম। তালিকায় প্রথমেই রয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সামগ্রিক অবদানের জন্য মরণোত্তর পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে তাঁকে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
স্বাধীনতা ও দেশগঠন: স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সামগ্রিক অবদানের জন্য মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এ ছাড়া জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর) মনোনীত হয়েছেন।
মুক্তিযুদ্ধ: এই ক্ষেত্রে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ও মেজর মোহাম্মদ আব্দুল জলিল (মরণোত্তর) মনোনীত হয়েছেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম।
চিকিৎসাবিদ্যা: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
সাহিত্য ও সংস্কৃতি: সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) এবং সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত (এ কে এম হানিফ) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর) মনোনীত হয়েছেন।
সমাজসেবা ও জনসেবা: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এই বিভাগে পুরস্কার পাচ্ছেন।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণ: মোহাম্মদ আবদুল বাকী পিএইচডি, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া।
অন্যান্য: ক্রীড়া ক্ষেত্রে জোবেরা রহমান লিনু, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আব্দুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) মনোনীত হয়েছেন।