ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখবে যেসব উপাদান

আর্দ্রতা ধরে রাখবে, এমন প্রাকৃতিক উপাদান অনেক। তবে সব পণ্য তো ব্যবহার করা সম্ভব নয়। রুটিন যতটা সিম্পল রাখবেন, তা মেনে চলাও তত সহজ হবে। তাই অনেক বেশি উপকরণের জটিল সমীকরণে না গিয়ে, নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন ত্বক উপযোগী পণ্য। আর্দ্রতা আর এক্সফোলিয়েশন, এই দুই বিষয়কে প্রাধান্য দিলে পাঁচটি উপকরণ আপনার ত্বকের জন্য যথেষ্ট। কী সেই উপাদান জেনে নিন।

পানির পরিবর্তে সপ্তাহে একদিন দুধ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন। ছবি: ফ্রিপিক

পানির পরিবর্তে দুধ: আমরা সব সময় পানি দিয়েই মুখ ধুয়ে থাকি। এই পানির পরিবর্তে সপ্তাহে একদিন দুধ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন। দুধের পিএইচ আমাদের ত্বকের সমান। তাই সোপবেসড ফেসওয়াশের চেয়ে দুধ উপকারী।

ফাটা ঠোঁটের জন্য ওটমিল: এক্সফোলিয়েটর হিসেবে ওটমিলের জুড়ি নেই। ফাটা ঠোঁট থেকে খসখসে গোড়ালি এবং ত্বকের মসৃণতা ফিরিয়ে আনতে এক্সফোলিয়েটর হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন ওটমিল।

অ্যালোভেরায় ভিটামিন ই: অ্যালোভেরা জেল ময়শ্চারাইজার হিসেবে বেশ পরিচিত। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই অ্যালোভেরার কোনও জুড়ি নেই। তা ছাড়া রুক্ষ চুল নরম রাখতে অতুলনীয় অ্যালোভেরা জেল।

ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে অ্যালোভেরার কোনও জুড়ি নেই। ছবি: ফ্রিপিক

ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে নারকেল তেল: ময়শ্চারের কারণে ত্বক থেকে জলজাতীয় পদার্থ সহজেই বেরিয়ে যেতে পারে। তাই ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে বাইরে থেকে বাড়তি সুরক্ষার প্রয়োজন। নারকেল তেল এক্ষেত্রে দারুণ উপযোগী। চুল চকচকে আর নরম রাখে এই তেল।

শরীরের পুরু অংশ ময়শ্চারাইজ করে গ্লিসারিন: খসখসে কনুই, গোড়ালি, হাঁটু, পায়ের পাতা অর্থাৎ শরীরের অপেক্ষাকৃত পুরু অংশ ময়শ্চারাইজ  করে গ্লিসারিন। সপ্তাহে একদিন একটু বেশি সময় নিয়ে গ্লিসারিন লাগতে পারেন। শুধু ত্বক নয়, চুলের জন্যও বেশ কার্যকর এই উপাদান।

সপ্তাহে একদিন রেডিমেড ক্রিম আর সেরাম বাদ দিয়ে এই উপকরণগুলো ব্যবহার করুন। বাকি দিন স্বাভাবিক রুটিন মেনে চলুন। মাসখানেক পর হাতে-নাতে ফল পাবেন ত্বক আর চুলের পরিবর্তনের।