শাড়িতেই উৎসবের আভিজাত্য, প্রমাণ করলেন টুইঙ্কেল খান্না

টুইঙ্কেল খান্না আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি স্রোতের সঙ্গে গা ভাসানো মানুষ নন। তাঁর স্টাইল সব সময়ই স্বতন্ত্র, যেখানে শৈলী আর সরলতার সুন্দর মিশ্রণ দেখা যায়। তেমনই এক উৎসবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন রানি-পিঙ্ক রঙের সিল্কের শাড়ি। সূক্ষ্ম সোনালি নকশা আর জরির কাজ করা পাড়ে শাড়িটি হয়ে উঠেছিল একেবারে ঐতিহ্যবাহী। পদ্মফুল-প্রেরণায় তৈরি মোটিফ আর সিল্কের ঔজ্জ্বল্যে তাঁর সাজে জ্বলজ্বল করছিল উৎসবের রঙ।

শাড়ির সঙ্গে টুইঙ্কেল মিলিয়েছিলেন অ্যান্টিক-গোল্ডেন ব্লাউজ। এলবো-লেংথ হাতা আর নিখুঁত কাটে তৈরি সেই ব্লাউজ সাজে এনেছিল গঠন ও ভারসাম্য। রানি-পিঙ্ক আর সোনালি রঙের এই মেলবন্ধন উৎসবের সাজে এক নিখুঁত ছোঁয়া দিয়েছে।

চুল, গয়না আর সাজের সহজতা

চুল বাঁধা খোঁপায়, মুখে হালকা মেকআপ, কপালে ছোট্ট টিপ-টুইঙ্কেলের সাজে ছিল নির্মল স্বাভাবিকতা। কানে ভারী সোনার দুল, হাতে মোটা ব্রেসলেট, এই দুটি গয়নাই পুরো সাজকে করেছে পরিপূর্ণ। তাঁর এই স্টাইল প্রমাণ করেছে, উৎসবের আভিজাত্য মানেই অতিরিক্ত সাজ নয়। বরং সঠিক রঙ, পোশাক আর ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য।

অন্য তারকারাও উৎসবের রঙে

শুধু টুইঙ্কেল নন, অন্যান্য তারকারাও মাতলেন উৎসবের আনন্দে। অনন্যা পান্ডে বেছে নিয়েছিলেন সাদা আইভরি কুর্তার সেট। হাতা, গলার নকশা আর কুর্তার পাশে সূক্ষ্ম এমব্রয়ডারির কাজ পোশাকে এনেছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া। ঘণ্টা-আকৃতির হাতা তার সাজে যুক্ত করেছিল এক আধুনিক, খেলাচ্ছলে ধারা।

অন্যদিকে দিব্যা দত্ত ছিলেন একেবারেই স্বাচ্ছন্দ্যময় সাজে। রঙিন সুতির শাড়ির সঙ্গে সাদা ব্লাউজ মিলিয়ে তিনি পারিবারিক পরিবেশেই স্বাগত জানিয়েছেন বাপ্পাকে। তাঁর এই সাজ যেমন আরামদায়ক, তেমনি ছিল ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্যে ভরা।