পিঠের চোট তামিম ইকবালকে বিশ্বকাপে যেতে দেয়নি। গত দেড়-দুই বছর ধরেই এ চোট সাবেক অধিনায়ককে ভোগাচ্ছিল। চোটের কারণে মাঝে কয়েকটি সিরিজ খেলতে না পারা তামিম শারীরিক ও মানসিকভাবে সেরে ওঠার জন্য এশিয়া কাপে খেলেননি।
বিশ্বকাপে যেন পূর্ণ সুস্থ তামিমকে পাওয়া যায়, সেজন্যই এ ব্যবস্থা। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজে দুই ম্যাচ খেলার পরই আবার ব্যথা ফিরে এসেছে তামিমের। বিশ্বকাপে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে খেলতে পারবেন কিনা, এ অনিশ্চয়তায় স্কোয়াডে আর জায়গা হয়নি তাঁর।
বিসিবির পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছেন, গত রোববার বিপিএলের ড্রাফট চলার সময়ই তাঁকে তামিম বলেছেন, পিঠের ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন তিনি।
বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে তামিমের বাদ পড়ার ও এ নিয়ে তামিম আসলে কী বলতে চাচ্ছেন এটা জিজ্ঞেস করা হয়েছিল টিম ডিরেক্টর সুজনের কাছে। ভারতের উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার আগে সুজন জানালেন, ‘সেটা তো আমি বলতে পারব না আসলে। কী বলবে সেটা তো আমি জানি না। তবে আমার সঙ্গে ওইটুকুই কথা হয়েছে। বিপিএল ড্রাফটের দিন আমার পাশে বসে কথা বলে গেল, এইটুকুই। “আমার ব্যথা হচ্ছে পেইনটা বেশি হয় মাঝে সাঝে।”’
ব্যথা নিয়েই যে খেলতে হবে, এটা তামিম তাঁকে জানিয়েছেন বলে দাবি সুজনের, ‘তামিমের সঙ্গে ড্রাফটের দিনই কথা হয়েছিল। বলছিল যে ওর ইনজুরিটা আছে, “ব্যথা করছে, ব্যাকপেইন আছে। সুজন ভাই, আমাকে ম্যানেজ করেই খেলতে হবে যদি আমি খেলতে চাই। সেটা আমি ক্লিয়ার করে দিব বোর্ডে। জানিয়ে দিব।” এরপর হয়তো ও বোর্ডে জানিয়েছে, নির্বাচক বা টিম ম্যানেজমেন্টকে।’
‘তারপর আমি বললাম, নেক্সট পরিচর্যাটা কী- তো ও বলল, “আরেকটা ইনজেকশন দেওয়ার চান্স থাকতে পারে হয়তো বা। কিন্তু আমার আসলে এইভাবেই যাবে। ভালো কিছু হবে না। এইভাবে আমাকে ম্যানেজ করে.. রেগুলার আমার ব্যথা হয়। অনেক ব্যথা হয়।”’
তামিমের বাদ পড়া নিয়ে এত আলোচনা স্বাভাবিক মনে হচ্ছে সুজনের, ‘কথা হবেই। কেউ বাদ পড়বে, কেউ ঢুকবে। এটা আমাদের সময় হয়েছে। সব সময়ই ছিল। যেটা হয়ে গেছে, সেটা কালকে শেষ। আজকে নতুন একটা দিন শুরু করেছি। আমি বিশ্বাস করি, ছেলেরা সেভাবে আত্মবিশ্বাসী থাকবে।’