গ্রেপ্তার-মামলা দিয়েও বরিশালে মাদকের কেনাবেচা কমানো যাচ্ছে না। পুলিশের দাবি একাধিকবার গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরাও, জামিন পেয়ে আবার একই কাজ শুরু করেন। তাই অভিযানের সুফল নেই। মামলা করার ক্ষেত্রে দুর্বলতার জন্য আইনজীবীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেই দুষছেন।
মাদক বিক্রির টাকার ভাগ নিয়ে দ্বন্দ্বে, মে মাসের মাঝামাঝি বরিশাল নগরীর পলাশপুরে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এর আগে বাকেরগঞ্জ ও আগৈলঝাড়ায় একই কারণে আরও দুটি হত্যার ঘটনা ঘটে।
মাদকের দ্বন্দ্বে সহিংসতা বাড়লেও, কারবার আগের মতোই আছে। এ নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই স্থানীয়দের।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. তানভির হোসেন খান বলেন, ‘গত এক বছরে অন্তত ৩ হাজার অভিযানে গ্রেপ্তার হয় ১২০০ এর বেশি মানুষ। এদের অর্ধেকের বেশি, একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন মাদক কেনাবেচার দায়ে।’
বরিশাল মেট্রোপলিটান পুলিশ কমিশনার মো. আশিক সাঈদ বলেন, ‘মাদক ব্যবসার জন্য নগরীতে অন্তত ৪টি চিহ্নিত জায়গা আছে। সক্রিয় আছে প্রায় ২০০ ভ্রাম্যমাণ বাহক। গ্রেপ্তার করা হলেও, জামিনে বের হয়ে আবার একই কাজে জড়িয়ে পড়েন অনেকে।’
আইনজীবী এইচ আর তসলিম বলেন, ‘পুলিশের অভিযোগপত্রে তথ্যের গরমিল, ভুল ধারা কিংবা কোনো অসংলগ্নতা থাকলে আসামিরা সহজেই জামিন পেয়ে যান।’
বরিশালে গত এক বছরে মাদক মামলায় গ্রেপ্তারদের ৭০ শতাংশই এখন জামিনে আছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।



