বর্ষার শুরু থেকেই মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ সাতক্ষীরার মানুষ। মশার বাড়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার আতঙ্কে পৌরবাসী। তাদের অভিযোগ, এখন পর্যন্ত মশা নিধনে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ। দেখা যায়নি সরকারি কোনো বিভাগের সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণাও।
প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও সাতক্ষীরার অলিগলিতে ড্রেনের নালায় জমে থাকা পানি আর আবর্জনা, যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে রাখার দৃশ্য। এরই মধ্যে বর্ষার শুরু থেকে বেড়েছে মশার উপদ্রব। ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ে তাই আতঙ্কে স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, ইটাগাছা, কাটিয়া, কুকরালি, কামালনগরের মতো শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকার পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। ওইসব এলাকায় ময়লা-আবর্জনায় অতিষ্ঠ মানুষ। আবার, জমে থাকা পানি আর অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে বাড়ছে মশার উপদ্রব।
নাগরিক কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী নূর খান বাবুল বলেন, ‘দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।’
তবে এরই মধ্যে মশা নিধনে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়ার দাবি পৌর কর্তৃপক্ষের।
সাতক্ষীরা পৌরসভার পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ‘প্রতি ওয়ার্ডে ৪ জন করে পরিচ্ছন্ন কর্মী সপ্তাহে ৬ দিন পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। হ্যান্ড মেশিন দিয়ে মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। শনিবার জেলা প্রশাসনের সাথে হাইওয়ে পরিষ্কার করা হচ্ছে।’
সাতক্ষীরা পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ৩ লাখ মানুষের বসবাস। গত বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ১১২ জন।



