যশোরের চৌগাছায় এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় একজন মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকের নাম আক্তার হোসেন। তিনি স্থানীয় কয়রাপাড়া হাফেজিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ।
শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ঘটনার পর থেকে বন্ধ রয়েছে মাদ্রাসাটি।
ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মাদরাসা শিক্ষক আক্তার একের পর এক বেত্রাঘাত করছেন ভুক্তভোগী শিশুটিকে। এ সময় শিশুটি বারবার শিক্ষকের পা জড়িয়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করেও রক্ষা পায়নি। গত বুধবার যশোরের চৌগাছা উপজেলার কয়রাপাড়া হাফেজিয়া মাদরাসায় ঘটে এ ঘটনা।
অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগী শিশুটি মাদরাসা সংলগ্ন মসজিদের ইমামের মোবাইল দেখছিলেন। এ ঘটনায় মাদ্রাসা অধ্যক্ষ আক্তার হোসেন তাকে নির্মমভাবে পেটান।
শিশুটির বাবা বলেন, ‘সে অপরাধ করেছে এটা আমাকে জানাতে পারত। কিন্তু আমাকে জানায় নি। না জানিয়ে মেরেছে রাত ১০টার দিকে। আমি এর বিচার চাই। এটা তো অন্যায়। অন্যায়কারীকে তো ছাড়া যাবে না। যাবে?’
বিষয়টি জানার পর ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা থানায় অভিযোগ দেন। পরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশ।
চৌগাছা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, ‘একটি অভিযান চালিয়ে আমরা ওই শিক্ষককে আটক করতে সক্ষম হই। ভিক্টিমের বাবা থানায় এজাহার দায়ের করে। এর প্রেক্ষিতে আমরা মামলা নেই। এবং সেই মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে কোর্টে পাঠাই।’


