এক বছরেও বিতরণ করা যায়নি টিসিবির বাতিল হওয়া প্রায় ৩৮ লাখ ফ্যামিলি কার্ড। ফলে স্বল্পমূল্যের পণ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত দেড় কোটি দরিদ্র মানুষ। টিসিবির দাবি, স্থানীয় প্রশাসন থেকে তথ্য পেতে দেরি হওয়ায় কার্ড ইস্যু করা যাচ্ছে না। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এমন পরিস্থিতি। রোজার আগেই সমস্যা সমাধানের পরামর্শ তাদের।
চাল, ডাল কিংবা ভোজ্যতেল—বাজারে প্রায় সব ভোগ্যপণ্যের চড়া দাম। মাছ মাংস কিনতে গেলেও স্বস্তি মিলছে না। টিসিবির হিসাবে, গত এক বছরে মোটা চালের দাম বেড়েছে সাড়ে ৬ শতাংশ। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১২ শতাংশ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে স্বল্প আয়ের মানুষের।
দরিদ্র মানুষের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে চাল, ডাল, তেল, চিনির মতো নিত্যপণ্য পৌঁছে দিতে ২০২২ সালে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কার্ড বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে গত বছর। বাতিল হয় অনেক কার্ড। টিসিবি নতুন করে যাচাই-বাছাই করে বিতরণের কথা জানালেও, এক বছরেও তা হয়নি।
টিসিবির মুখপাত্র শাহাদত হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে সচল রয়েছে প্রায় ৬২ লাখ কার্ড। বাকি ৩৮ লাখের তথ্য স্থানীয় প্রশাসন থেকে পাওয়া যায়নি।’
অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার, এর মধ্যেই সামনে আসছে রোজা। সব মিলিয়ে কম দামের পণ্য বিক্রিতে ধীরগতি গরিব মানুষের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে।
অর্থনীতিবিদ শাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে সারাদেশের প্রকৃত উপকারভোগীদের চিহ্নিত করতে, মাঠ পর্যায়ে সঠিক তদারকি করতে হবে।’



