আগামী সপ্তাহেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়বে, লোডশেডিং নামবে ১ হাজার মেগাওয়াটের নিচে। এমন তথ্য দিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। সোমবার নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে সিপিডির এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করার এবং নীতি সহায়তার দাবি জানান এ খাতের ব্যবসায়ীরা।
উৎপাদন সক্ষমতা ৩০ হাজার মেগাওয়াটের মাইলফলকে পৌঁছালেও, আমদানি নির্ভর জ্বালানির ঘাটতিতে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ। আবার কোনোটি চলছে সক্ষমতার কমে। এতে একদিকে যেমন ক্যাপাসিটি চার্জের বোঝা চাপছে বিদ্যুৎ বিভাগের কাঁধে, অন্যদিকে বেড়েছে লোডশেডিং ভোগান্তি।
সিপিডি আয়োজিত মতবিনিময়ে বলা হয়, বিদ্যুৎ খাতে মোট বকেয়া দাঁড়িয়েছে ৫৬ হাজার কোটি টাকা। অর্থসংস্থানে জোর চেষ্টা চলছে বলে জানান মন্ত্রী।
অন্তর্বর্তী সরকার ৩১ টি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করে। যেখানে ৬ বিলিয়ন ডলার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে মিলত ৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ।
২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এজন্য রেলবিভাগ, চরসহ সরকারি জমি চিহ্নিত করে তা ব্যবহারে জোর দেয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।
সেমিনারে বলা হয়, নবায়নযোগ্য খাতে বৈশ্বিক বিনিয়োগের ৩৩ ভাগই চীনের। বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগ ৫০ ভাগ।



