গবেষণার ঘাটতি ও লোকসানে চাপে গভীর সমুদ্রের মৎস্য খাত

বাড়তি খরচ, মাছ কম পাওয়া আর গবেষণার ঘাটতিতে বড় ধরনের চাপের মুখে সমুদ্রগামী জাহাজগুলো। উচ্চ বিনিয়োগের পরও কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে জাহাজ মালিক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। যদিও আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পর্যায়ে তথ্যভিত্তিক গবেষণায় আগের চেয়ে বেশি মনোযোগের কথা বলছে সরকার। 

আপডেট : ০৭ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম

বাড়তি খরচ, মাছ কম পাওয়া আর গবেষণার ঘাটতিতে বড় ধরনের চাপের মুখে সমুদ্রগামী জাহাজগুলো। উচ্চ বিনিয়োগের পরও কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে জাহাজ মালিক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। যদিও আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পর্যায়ে তথ্যভিত্তিক গবেষণায় আগের চেয়ে বেশি মনোযোগের কথা বলছে সরকার। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে নিবন্ধিত মাছ ধরার জাহাজের সংখ্যা ২৬৪টি। তবে এখন চালু আছে অন্তত ২৩২টি। এর মধ্যে ৩০টির মতো জাহাজ সমুদ্রের তলদেশে জাল ফেলে মাছ ধরে, আর বাকিগুলো মধ্য স্তরের মাছ শিকার করে। বঙ্গোপসাগর থেকে তারা নিয়ে আসে ১১৫ প্রজাতির মাছ।

বর্তমানে নানা কারণে গভীর সংকটে এই খাত। আবহাওয়ার পরিবর্তন, জ্বালানির উচ্চ খরচ, গভীর সমুদ্রে নিরাপত্তা সংকট ও নিষেধাজ্ঞার সময় আয় বন্ধ থাকার কারণে বাড়ছে লোকসান। তার ওপর নানা কারণে সমুদ্রে মাছও মিলছে কম। 

সানম্যান গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আরিফুজ্জামান তুহিন বলেন, ‘যে জাতীয় মাছ সমুদ্রে আছে কিংবা কী জাতীয় মাছ সমুদ্রে আছে, অথবা ধরেন টুনা মাছ সম্পর্কে কোনো গবেষণা বাংলাদেশে নেই। আমরা যদি না জানি অথবা না জানাই তাহলে তো আমরা অন্ধকারেই থাকব।’

এসব জাহাজ একবার সাগরে গেলে গড়ে ২৫ দিন থাকে এবং খরচ হয় ১ কোটি টাকার বেশি। পর্যাপ্ত মাছ না পেলে গুনতে হয় লোকসান। গবেষকেরা বলছেন, সমুদ্রে মৎস্যসম্পদ আহরণে সঠিক ব্যবস্থাপনা জরুরি। 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক সাইদুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘সারা পৃথিবীর সমুদ্রের অর্থনীতিক ব্যবহারের দিকে যদি আমরা তাকাই, যে পরিমাণ সম্পদ সমুদ্র থেকে আরোহণ করা হয় তার প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ সম্পদ মানুষ সমুদ্রকে অন্যভাবে ব্যবহার করে উপার্জন করে। বঙ্গোপসাগর আমাদের সম্পদের খুবই ধনী একটা এলাকা, এটাকে আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে।’

উচ্চ বিনিয়োগের এই খাতে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সমুদ্রসম্পদ রক্ষা ও লোকসান এড়ানোর মধ্যে ভারসাম্য ধরে রাখা। তাই জরিপ ও গবেষণায় বেশি মনোযোগ দিচ্ছে সরকার। 

নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, ‘আমরা বিশ্ব সেরা যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করছি। আমাদের এখন শুধু যন্ত্র নয় এখন আমাদের প্রশিক্ষণেরও প্রয়োজন। আগে আমরা প্রশিক্ষণের জন্য বাইরে যেতাম, এখন আমরাই এই কোর্স চালু করছি। আমাদের যদি নলেজ থাকে, যন্ত্রপাতি থাকে, জাহাজ থাকে তাহলে আমরা কাজ করতে পারব।’

জাহাজ মালিকেরা বলছেন, সাগরে মাছ ধরার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক তথ্য আদান-প্রদানের পাশাপাশি দরকার বাস্তবভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তা। 

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা চুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে...
চট্টগ্রামের নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনার জন্য আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।  দেশের স্বার্থ নিশ্চিত করেই টার্মিনাল বিদেশি হ্যান্ডেলিং এ দেওয়া হচ্ছে। এতে...
নানা আলোচনা-সমালোচনা, প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর নিয়োগ হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান...
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বা এনসিটি পরিচালনার ভার অবশেষে বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে যাচ্ছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির সঙ্গে ১৫ বছরের জন্য চুক্তি করবে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন, সংবিধান দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও উৎসব পালনের শতভাগ অধিকার দিয়েছে। তাই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনে কোনো দুশ্চিন্তা বা শঙ্কার...
রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রসংস্কারের যে অভূতপূর্ব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
লোডিং...
পঠিত নির্বাচিত

এলাকার খবর