গত বছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্যের পরিবহন কমেছে প্রায় ৭ ভাগ। ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, জ্বালানি সংকট ও বিনিয়োগের নেতিবাচক পরিবেশই এজন্য দায়ী বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। আশঙ্কার কথা, এসময় মূলধনী যন্ত্রাংশের আমদানি কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সিংহভাগই হয়ে থাকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে। তাই একে অর্থনীতির লাইফলাইনও বলে থাকেন অনেকে। এই অর্থবছরের প্রথম ৩ মাসে এ বন্দর দিয়ে কন্টেইনার উঠানামা করেছে ৮ লাখ ৬৩ হাজার ২৭৮ ইউনিট। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ হাজার ৪৩৫ ইউনিট কম। বিশেষ করে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে পণ্য পরিবহন কমেছে ১০ শতাংশেরও বেশি।
এমএসসির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা আজমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, ‘ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে উন্নত দেশগুলোতে বেড়েছে মূল্যস্ফীতি। ফলে কমেছে পণ্যের চাহিদা। তারই প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আর চট্টগ্রাম বন্দরে।’
বিজিএমইএর পরিচালক রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে গত বছরের তুলনায় মূলধনী যন্ত্রাংশের আমদানি কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। যা নেতিবাচক বিনিয়োগ পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।’
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম বলেন, ‘আমদানি-রপ্তানি কমলেও বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশি অপারেটর নিয়োগ নিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভও এখন স্তিমিত।'


