ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাওয়ার গল্পে অসাধারণ কিছু সিনেমা

প্রকৃতির রুদ্ররোষের সামনে মানুষ কতটা অসহায়, আবার বেঁচে থাকার অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে মানুষ কতটা সাহসী—তার এক জ্বলন্ত প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে বিপর্যয়কেন্দ্রিক বা ডিজাস্টার মুভিগুলোতে। পর্দায় যখন মাটি কাঁপে, দালান ধসে পড়ে, তখন দর্শকের বুকের ভেতরটাও যেন কেঁপে ওঠে। শুধু ধ্বংসলীলা নয়, এই সিনেমাগুলো আমাদের শেখায় চরম বিপদে মাথা ঠাণ্ডা রেখে কীভাবে লড়াই করতে হয়। থাকছে এমন ৫টি দুর্দান্ত সিনেমার গল্প, যা আপনাকে রোমাঞ্চের পাশাপাশি দেবে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১১:০৭ এএম

স্যান আন্দ্রিয়াস (২০১৫) পরিচালক: ব্র্যাড পেটন ১. স্যান আন্দ্রিয়াস (২০১৫)
পরিচালক: ব্র্যাড পেটন
অভিনয়ে: ডওয়েন ‘দ্য রক’ জনসন, কার্লা গুগিনো, আলেকজান্দ্রা ড্যাডাডারিও।
ক্যালিফোর্নিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ছবি। একজন রেসকিউ পাইলট বাবা ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে তার পরিবারকে বাঁচাতে মরণপণ লড়াই করেন। ছবিতে দেখানো হয়, কীভাবে ধসে পড়া দালান ও আগুনের লেলিহান শিখা এড়িয়ে ছোট স্থান দিয়ে সরে যেতে হয় এবং শক্তিশালী ধ্বংসপ্রবণ বস্তু থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হয়। দর্শকরা এখানে শুধু অ্যাকশন দেখেন না, দেখেন একজন বাবার দায়িত্ববোধ এবং পরিবারের প্রতি অটুট ভালোবাসা।

আর্থকোয়েক (১৯৭৪) পরিচালক: মার্ক রবসন ২. আর্থকোয়েক (১৯৭৪)
পরিচালক: মার্ক রবসন
অভিনয়ে: চার্লটন হেস্টন, অ্যাভা গার্ডনার।
লস এঞ্জেলেস শহরের ওপর নেমে আসা ভয়াবহ এক ভূমিকম্পের ধ্রুপদী গল্প এটি। ভূমিকম্পে ঘরবাড়ি ও শহর তছনছ হয়ে গেলেও মানুষ কীভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, তা এই সিনেমার মূল উপজীব্য। ধ্বংসপ্রায় ভবন এড়িয়ে চলা এবং ঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দলবদ্ধভাবে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়া—এসবই ছিল তাদের বাঁচার চাবিকাঠি। সিনেমাটি শিখিয়েছে, বিপর্যয়ের মুহূর্তে সাহস এবং মানবিকতাই মানুষের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

আফটারশক (২০১০) পরিচালক: ফেং জিয়াওগাং ৩. আফটারশক (২০১০)
পরিচালক: ফেং জিয়াওগাং
অভিনয়ে: শু ফ্যান, জিংচু ঝ্যাং।
১৯৭৬ সালের চীনের তাংশান ভূমিকম্পের মর্মান্তিক সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া একটি পরিবার এবং তাদের বেঁচে থাকার করুণ সংগ্রাম এতে ফুটে উঠেছে। খাদ্য ও পানির সংকট কিংবা ধ্বংসস্তূপের মাঝে আশ্রয় খোঁজা—সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে এসেছে চরম ত্যাগের গল্প। প্রিয়জনকে বাঁচাতে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মুহূর্তগুলো দর্শকের চোখে জল এনে দেয়, সেই সঙ্গে শেখায় ধৈর্য ও সমন্বয়ের গুরুত্ব।

দ্য ইম্পসিবল (২০১২)। পরিচালক: জে. এ. বেয়োনা ৪. দ্য ইম্পসিবল (২০১২)
পরিচালক: জে. এ. বেয়োনা
অভিনয়ে: নাওমি ওয়াটস, ইউয়ান ম্যাকগ্রেগর, টম হল্যান্ড।
যদিও এটি ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরীয় সুনামির ওপর নির্মিত, কিন্তু ভূমিকম্প-পরবর্তী জলোচ্ছ্বাসের ভয়াবহতা এতে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। পানির তোড়ে ভেসে যাওয়া একটি পরিবারের বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এবং পুনরায় একত্রিত হওয়ার গল্প এটি। কীভাবে উঁচু স্থান খুঁজে নিতে হয়, পানির স্রোতে নিজেকে ভাসিয়ে রাখতে হয় এবং মানসিক দৃঢ়তা বজায় রাখতে হয়, তা এই সিনেমার প্রতিটি মুহূর্তে দৃশ্যমান। এটি কেবল বিপর্যয়ের গল্প নয়, বরং পারিবারিক বন্ধনের এক অনবদ্য দলিল।

 ড্যান্টেস পিক (১৯৯৭)। পরিচালক: রোজার ডোনাল্ডসন ৫. ড্যান্টেস পিক (১৯৯৭)
পরিচালক: রোজার ডোনাল্ডসন
অভিনয়ে: পিয়ারস ব্রসনান, লিন্ডা হামিলটন।
ভূমিকম্পের সঙ্গে যখন আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠে, তখন পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা দেখিয়েছে ‘ড্যান্টেস পিক’। লাভা ও ছাইয়ের হাত থেকে বাঁচতে শহরের মানুষদের দ্রুত নিরাপদ পথ খুঁজে বের করার শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্যগুলো আপনাকে সিটে আটকে রাখবে। সিনেমার মূল বার্তা—বিপদের পূর্বাভাস সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং ভয়কে জয় করে একে অপরকে সাহায্য করা।

শিল্প-সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, বিকাশ এবং দেশ-বিদেশে তা যথাযথভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যে ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) একটি জাতীয়...
দিল্লির প্রায় প্রত্যেকটি মাল্টিপ্লেক্সেই ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ সিনেমাটি হাউসফুল। বড় কোনো সুপারস্টার ছাড়াই যে কোনো সিনেমা ৩ ঘণ্টার বেশি সময় দর্শককে ধরে রাখতে পারে, সম্ভবত বলিউড এর আগে কখনো দেখেনি।
সমকালীন ঢাকাকে পটভূমি করে নির্মিত দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’র গল্প আবর্তিত হয়েছে জাইনীন নামের এক তরুণীকে ঘিরে, যে কিনা বিয়ের প্রস্তুতি ও সৌন্দর্যচর্চার নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে যেতে গিয়ে আবিষ্কার...
বাংলা সিনেমার সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়কদের একজন সালমান শাহ। কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমা দিয়ে রূপালি জগতে যাত্রা শুরু। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই আকস্মিক মৃত্যুতে থমকে যায় সবকিছু। তিন দশক পরও এখনো ভক্তদের...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন, সংবিধান দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও উৎসব পালনের শতভাগ অধিকার দিয়েছে। তাই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনে কোনো দুশ্চিন্তা বা শঙ্কার...
রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রসংস্কারের যে অভূতপূর্ব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
লোডিং...
পঠিত নির্বাচিত

এলাকার খবর