প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারের মহেশখালী এলাকায় আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন হয়েছে। যার ফলে বৃহস্পতিবার থেকেই সারাদেশে মোট গ্যাসের সরবরাহ কমে যায় ৩০-৪০ কোটি ঘনফুট।
পেট্রোবাংলা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কমায় রাজধানীতে রান্না চুলা থেকে সিএনজি স্টেশন সবজায়গায় ভোগান্তি বাড়ে। তবে শনিবার সকালের মধ্যে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি হবে।
রুপান্তরিত গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড আরপিজিসিএল সূত্রে জানা গেছে, ২৩ অক্টোবর একটি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর শুরু কথা থাকলেও খারাপ আবহওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। শুক্রবার দুটি টার্মিনালেই দুই কার্গো এলএনজি স্থানান্তর শুরু হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, শনিবার সকালের মধ্যে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অনিবার্য কারণে সাময়িক অসুবিধার জন্য পেট্রোবাংলা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। এখন জাতীয় গ্রিডে গ্যাস মিলছে ২৩০ কোটি ঘনফুটের মতো।



