সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দল অংশ না নিলেও বিতর্কের সুযোগ থাকবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির সপ্তম বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি এখতিয়ারও নির্ধারিত করতে চায় সরকার।
সপ্তম বৈঠক করলেন সংবিধান সংশোধনের বিশেষ কমিটি। এতে অংশ নেন শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্টজনেরা।
বৈঠকে সব ধরনের বৈষম্য দূর করার প্রস্তাব দেন অংশীজনরা। ৯ পৃষ্ঠার লিখিত প্রস্তাবনা তুলে ধরেন তারা।
জাতীয় অধ্যাপক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, ‘এমন একটা সংবিধান আমাদেরকে উপহার দেওয়া হোক যেটা দেশের সর্বাধিক রাজনৈতিক দল, সর্বাধিক রাজনৈতিক শক্তি, সর্বাধিক বুদ্ধিজীবী–পেশাজীবী এবং সাধারণ জনগণের চিন্তাকে প্রতিফলন করে।’
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ড. সামিনা লুৎফা বলেন, ‘নারীর কণ্ঠস্বর; ভিন্ন জাতিসত্ত্বা, লিঙ্গ, অন্যান্য সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের মানুষের এবং প্রান্তিক মানুষের, প্রতিবন্ধীদের, অভিবাসী নারী শ্রমিকদেরসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলাদা করে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’
পরে কমিটির সভাপতি বলেন, বৈঠকে বিরোধী দল না থাকলেও সংবিধান সংশোধনে বিতর্কের সুযোগ থাকবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিতর্ক তৈরি হবে কিনা জানি না। বিতর্ক করার একটা সুযোগ থাকবে। আমরা সবসময়ই আহ্বান জানাব বিরোধীদল যেন আমাদের সংবিধান সংশোধনী সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে অংশগ্রহণ করেন। এবং তারা লিখিত ও মৌখিক মতামত দেবেন।’
তিনি আরও বলেন, সরকারের একটি অঙ্গ যাতে অন্যের ওপর খবরদারি করতে না পারে সে চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সংবিধান সংশোধিত হলেও যাতে বিচার বিভাগ তার নিজস্ব এখতিয়ারে এমন কিছু না করতে পারে– যাতে জনপ্রত্যাশা অনেকটা প্রত্যাখ্যাত হয়।’
নির্বাচনি ইশতেহার ও জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


