মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হারা ম্যাচের একাদশ থেকে আজ সোমবার সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে চারটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তাতে খেলার গতি ও ধারা বদলে গেছে ঠিকই, কিন্তু ম্যাচের ফলে খুব বেশি পরিবর্তন আসেনি।
যথারীতি নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছেও হেরেছে বাংলাদেশ। তবে এবার স্কোরলাইন আগের মতো একতরফা হয়নি। প্রথমার্ধে হারহিস স্টুয়ার্টের গোলে বাংলাদেশ ম্যাচটা হেরেছে ১-০ ব্যবধানে।
হেরে গেলেও এ ম্যাচে প্রাপ্তি একেবারে কম নয়! আগের ম্যাচে যেখানে বাংলাদেশ বলে নিজেদের পায়ে রাখতেই হিমশিম খাচ্ছিল, সেখানে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে অন্তত ৫০ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে রেখেছেন থমাস ডুলির শিষ্যরা।
সেখানেই শেষ নয়। এই ম্যাচে রক্ষণভাগও খুব বেশি ভুল করেনি। পুরো ম্যাচে সিঙ্গাপুর কর্নার পেয়েছে ৩টি। সেখানে বাংলাদেশ কর্নার শট নিয়েছে ১১টি। এতেই বোঝা যায়, বাংলাদেশ কতটা আক্রমণ করেছিল।
কিন্তু আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও সিঙ্গাপুরের গোলমুখে মোটে ১টি শট নিতে পেরেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে সিঙ্গাপুর শট নিয়েছিল ১০টি, এর ৬টিই ছিল গোলমুখে।
আজ গোলপোস্টের নিচে শ্রাবণ ছিলেন প্রাণবন্ত। কিন্তু ৩৫ মিনিটে নূর আদম আবদুল্লার ক্রসে স্টুয়ার্টের যে হেড বাংলাদেশের জালে আশ্রয় নিল, সেটা ঠেকাতে তেমন কোনো চেষ্টাই চালালেন না শ্রাবণ। যেন নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে শুধু চেয়ে চেয়ে বল জালে জড়ানো দেখেছেন।
ওই গোল হমজের পর দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কয়েকবার ম্যাচে ফেরার খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিল বাংলাদেশ। এর মধ্যে সাদ আহমেদের ক্রসে শমিত সোমের হেড অল্পের জন্য আশ্রয় নেয়নি জালে। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত চেষ্টা চালালেও কোনো গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। এতে ন্যূনতম ব্যবধানে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় হামজা চৌধুরী-জামাল ভূঁইয়াদের।
এ হারে দুই ম্যাচ শেষে পয়েন্টহীন বাংলাদেশ গ্রুপের তলানীতে। আগামী বৃহস্পতিবার গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।


