প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেলেও শেষ মুহূর্তে বাতিল হয় হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক। ইউক্রেন ইস্যুতে মস্কোর কঠোর অবস্থানের বার্তা পেয়েই ট্রাম্প বৈঠক বাতিল করেন বলে জানা গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।
সম্প্রতি দুই নেতার বৈঠক বাতিলের কারণ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। এতে বলা হয়, ট্রাম্প-পুতিনের বৈঠক চূড়ান্ত হওয়ার পরই ওয়াশিংটনের কাছে চিঠি পাঠায় মস্কো। এতে পুরোনো দাবিগুলো আবারও উত্থাপন করে ক্রেমলিন।
দাবিগুলো হলো– ইউক্রেনকে আরও ভূখণ্ড হস্তান্তর করতে হবে, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য কমাতে হবে এবং ন্যাটোতে যোগদান থেকে বিরত থাকতে হবে। এসব শর্ত মেনে নেওয়ার পরই কেবল যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্ভব বলে জানানো হয় চিঠিতে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের দাবি, এ নিয়ে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তাদের ফোনালাপটি বেশ উত্তপ্ত ছিল। ওই ফোনালাপের পরই পুতিন সংলাপের জন্য মোটেই প্রস্তুত নন বলে ট্রাম্পকে জানান রুবিও। এরপরই বৈঠক বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
ইউক্রেন ইস্যুতে চলতি মাসে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে বৈঠকে বসার কথা ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের। সবকিছু চূড়ান্ত থাকলেও হঠাৎ তা বাতিল হয়। বৈঠক বাতিলের ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, পুতিনের সঙ্গে দেখা করে সময় নষ্ট করতে চান না তিনি।
রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত গড়িয়েছে চতুর্থ বছরে। বারবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনা করেও যুদ্ধ থামাতে পারেননি ট্রাম্প। এর আগে গত ১৫ আগস্ট আলাস্কায় বৈঠক করেন ট্রাম্প-পুতিন। প্রায় ৩ ঘণ্টার বৈঠকেও আসেনি কোনো সমঝোতা।



