অবশেষে গাজা থেকে রাফাহ সীমান্ত দিয়ে গুরুত্বর আহত ফিলিস্তিনি ও বিদেশি নাগরিকদের মিশরে প্রবেশের সাময়িক অনুমতি মিলেছে। ইতিমধ্যে প্রথম দিনে গাজা থেকে রাফাহ ক্রসিং দিয়ে ১১০ দ্বৈত নাগরিক এবং আহত ২০ ফিলিস্তিনি মিশরে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছে বিবিসি।
এদিন আরও ৮০ জন আহত ফিলিস্তিনিকে মিশরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনো তারা নিশ্চিত হতে পারেননি। আহতদের সঙ্গে প্রায় ৫০০ দ্বৈত নাগরিককে এদিন রাফাহ ক্রসিং পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে বলেও জানা গেছে। তারা মিশরের প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছেন।
এর আগে পৌঁছানো প্রথম বহরে অন্তত সাত জন রোগী মিশর যান। আরো অ্যাম্বুলেন্স মিশরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। এছারা ওই সীমান্ত খোলার শুরুর দিকে ২০ টি ত্রাণবাহি ট্রাককে গাজায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে রাফাহ সীমান্তে পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রক পাঁচ অফিসারের সঙ্গে কথা বলে বিবিসি প্রতিনিধি জানিয়েছে, প্রথমে এই সীমান্ত দিয়ে গুরুত্বর আহত ৮৮ ফিলিস্তিনি নাগরিককে প্রবেশের প্রক্রিয়া শুরু করবে। এরপরে দ্বৈত বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ করানো হবে। ধারণা করা হচ্ছে ওই দিন মিশরে প্রবেশের জন্য প্রায় ৭ হাজার বিদেশি নাগরিক রেজিস্টেশন করেছে। বলা হচ্ছে, প্রতিদিন পাঁচ'শ জন করে মিশরে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। 
এখন পর্যন্ত, হামাসের কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে এ এলাকায় দেখা যায়নি। গত ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকায় হামাস- ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর এই প্রথম মিশরের রাফাহ সীমান্ত দিয়ে মানুষ প্রবেশের জন্য খুলে দেওয়া হল।
কাতারের মধ্যস্থতায় রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গাজায় আহত ফিলিস্তিনি এবং দ্বৈত নাগরিকদের মিশরে যাওয়ার অনুমতি মিলেছে বলে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।



