যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও ফিলিস্তিনিরা ভোলেনি প্রিয় পোষা প্রাণির কথা

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:০৮ পিএম

ইসরায়েলি আগ্রাসনে ঘরবাড়ি ছেড়ে আসা ফিলিস্তিনিরা ফেলে আসতে পারেনি প্রিয় পোষা প্রাণিকে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও পোষা প্রাণিদেরকে সঙ্গে এনেছেন অনেকেই। অসহায় প্রাণিগুলোরও বাঁচার অধিকার আছে, তাদের জীবনেরও মূল্য আছে বলে জানান বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা।

ইসরায়েলের হামলার মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে গাজার উত্তরাঞ্চল ছেড়ে দক্ষিণে পালিয়ে এসেছেন কয়েক হাজার বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি। খাবার ও বাসস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেও নিজেদের পোষা প্রাণিকে ফেলে আসেনি তারা।

দক্ষিণে আসতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে তাদের। প্রয়োজনীয় সামগ্রীগুলো সঙ্গে আনতে বহন করতে হয়েছে ভারী ব্যাগ। এর পরও এই বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের কেউ খাঁচাসহ পাখি, কেউ কাঁচের পাত্রে করে পোষা মাছ, আবার কেউ ভেড়ার পাল সঙ্গে নিয়ে এসেছেন।

বাস্তুচ্যুত এক ফিলিস্তিনি বলছেন, 'বিমান হামলা থেকে বাঁচতে খান ইউনিসে পালিয়ে এসেছি। কিন্তু এখানে খাবার
পাচ্ছি না। তাই দিনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। পোষা ভেড়াগুলো আবর্জনা খায়, ওদের জন্য বার্লি খুঁজে পাইনি।'

আরেক ফিলিস্তিনি বলেন, 'ফিলিস্তিনিদের কাছে প্রত্যেকটা প্রাণের মূল্য রয়েছে। তাই ইসরায়েলের হামলার মধ্যে পোষা মাছকে মৃত্যুর মুখে ফেলে আসতে পারিনি। বাড়ি ছাড়ার সময় ওকেও সঙ্গে নিয়ে এসেছি।'

পোষা পাখিকে সঙ্গে নিয়ে আসা এক ফিলিস্তিনির ভাষ্য, 'পাখিরও প্রাণ আছে। আমরা ওকে ফেলে আসতে পারি না। ইসরায়েল আমাদের বাড়িতে বিমান হামলা চালিয়েছে। ও ভেতরে থাকলে মারা যেত।

মৃত্যু ঝুঁকি এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখেও পোষা প্রাণির প্রতি ভালোবাসা কমেনি তাদের। অসহায় প্রাণিগুলোর জীবন বাঁচাতে সেগুলোকে নিজেদের সঙ্গেই রাখছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, গাজায় ইসরায়েলের অভিযান শুরুর পর ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ১৬ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। যা উপত্যকার ২৩ লাখ বাসিন্দার দুই-তৃতীয়াংশ।

পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। ইয়েমেনে হুতি নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। পাল্টা জবাবে সৌদির দাহরানে আরামকোর প্রশাসনিক...
গাজায় প্রায় তিন বছর ধরে চলছে ইসরায়েলি আগ্রাসন। শুধু ২০২৫ সালেই প্রাণ হারিয়েছেন সাড়ে ২৪ হাজারের বেশি মানুষ। বিশ্লেষকদের অভিযোগ, সামরিক হামলার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পণ্য ও সরঞ্জাম প্রবেশে বাধা দিয়ে...
নেতানিয়াহু বলেন, তদন্তে হামলাকারীর মধ্যে ইসলামপন্থী উগ্রবাদে দীক্ষিত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। হামলাকারী ওমানের নাগরিক এবং বিমানটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর সেটি বিধ্বস্ত করার সম্ভাবনাই বেশি ছিল।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বহুপাক্ষিক সংস্থা জাতিসংঘ এখন একাধিক সংকটের মুখোমুখি। যুদ্ধ, ভেটো রাজনীতি, অর্থ সংকট ও বড় শক্তিগুলোর বিভাজনে দুর্বল হচ্ছে সংস্থাটির কার্যকারিতা। এতে করে প্রশ্ন উঠছে সংস্থাটির...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন, সংবিধান দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও উৎসব পালনের শতভাগ অধিকার দিয়েছে। তাই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনে কোনো দুশ্চিন্তা বা শঙ্কার...
রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রসংস্কারের যে অভূতপূর্ব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
লোডিং...
পঠিত নির্বাচিত

এলাকার খবর