পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজির আহমেদের দুর্নীতি ও বিপুল সম্পদ নিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা সমালোচনা চলছে।
তবে এ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুখ খুলেছেন বেনজির।
নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজের স্ট্যাট্যাসে বেনজির লিখেছেন, ‘দু-একজন অনেক ক্ষিপ্ত, খুব ই উত্তেজিত হয়ে এক্ষুনি সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রবন্ধ লিখে ফেলছেন। দয়া করে সামান্য ধৈর্য্য ধরুন। ঘোষণাই তো আছে ‘‘কুৎসার কিসসা আভি ভি বাকি হ্যায়।”
বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সম্প্রতি ‘দৈনিক কালের কণ্ঠ’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের নলজানী গ্রামে ১৬০ বিঘা জমির ওপর বিস্তৃত ভাওয়াল রিসোর্ট। ২০১৮ সালের ৬ এপ্রিল প্রায় ১০৬ বিঘা জমির ওপর এটির যাত্রা শুরু। পরে এতে যোগ হয় আরও ৫৪ বিঘা জমি। ৬২টি ভিলার সঙ্গে হেলিপ্যাড, রেস্তোরাঁ, জিমনেসিয়াম, সুইমিংপুল, স্পাসহ অনেক কিছু রয়েছে এর ভেতরে।
কালের কণ্ঠ বলছে, এই রিসোর্টের একটি বড় অংশই গড়ে তোলা হয়েছে বনের জমি জবরদখল করে। এতে নেপথ্যে থেকে সাহস জুগিয়েছিলেন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। কেননা এই রিসোর্টের এক-চতুর্থাংশ শেয়ারের মালিকানা বেনজীরের পরিবারের হাতে।
কালের কণ্ঠের দাবি, বনের জমি দখল করে রিসোর্ট গড়ে ওঠার সময়কালে বেনজীর আহমেদ ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার।
কালের কণ্ঠ’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেনজির সুকৌশলে তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে সম্পদ গড়ে তুলেছেন। দেশের বাইরেও তিনি সম্পদ পাচার করেছেন।



