সবার স্বার্থ ভেবে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী
ইনডিপেনডেন্ট ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৩, ০৭:০১ পিএমআপডেট : ২৩ মে ২০২৩, ০৭:০২ পিএম
পাবনায় কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক
চাষি, উৎপাদক ও ভোক্তার স্বার্থ বিবেচনা করে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। পাবনার সাথিয়ার পূর্ব বনগ্রামে মঙ্গলবার কৃষি বিপণন অধিদপ্তর নির্মিত পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণের দেশিয় মডেল ঘর উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী রাজ্জাক বলেন, ‘চাষি, উৎপাদক, ভোক্তাসহ সকলের স্বার্থ বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কয়েক দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
বেশ কিছুদিন ধরেই দেশের বাজারে লাগামহীন পেঁয়াজের দাম। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের অন্যতম বৃহৎ ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ২৫ টাকা।
১৫ দিন আগেও খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারি ৫০-৫৫ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৬০-৬৫ টাকা বিক্রি হয়েছিল। ২ সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৮০ টাকা ও খুচরা বাজারে ৮৫-৯০ টাকা।
এ অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি চেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কৃষি মন্ত্রণালয় এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানায় নি।
কৃষিমন্ত্রী মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সফলভাবে পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারলে দেশে পেঁয়াজ নিয়ে অস্থিরতা ও সংকট দূর হবে এবং পেঁয়াজ নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হবে।
‘দেশে চাহিদার চেয়েও বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয়, কিন্তু এক-তৃতীয়াংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে পেঁয়াজের ঘাটতি হয়, দাম অস্বাভাবিক হয়, নানান রকম রাজনীতি শুরু হয়। পাশের দেশ ভারত থেকেই আমদানি বেশি করতে হয়, ভারত অনেক সময় রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে, এতে চরম সংকট দেখা দেয়। সেজন্য পেঁয়াজ সংরক্ষণে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘পেঁয়াজ খুবই পচনশীল ফসল। এটি রাখা কঠিন। পেঁয়াজ রাখা যায় না, শুকিয়ে যায়, পচে যায়। এর ফলে কৃষকেরা মৌসুমে কম দামে দ্রুত পেঁয়াজ বিক্রি করে দেয়। মৌসুম শেষ হলে পেঁয়াজের বাজার আমদানিকারক, ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের হাতে চলে যায়।
‘সেজন্য, আমরা পেঁয়াজ সংরক্ষণের এই পরীক্ষামূলক ঘর চালু করেছি। যেখানে ৪-৫ মাস পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা যাবে। এটিতে সফল হলে দেশে পেঁয়াজের সংকট হবে না। আমদানিও করতে হবে না, বরং রপ্তানি করা যাবে।’
পেঁয়াজ সংরক্ষণের মডেল ঘরে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ ভর্তুকি বা কৃষিখাতে বিবেচনা করার জন্য বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণের জন্য সারাদেশে সংরক্ষণাগার তৈরি করছে কৃষি মন্ত্রণালয়। কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং বিপণন কার্যক্রম উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে এই সংরক্ষণাগার তৈরি হচ্ছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, ৩৭৫ বর্গফুটের প্রতিটি ঘরে ২৫০-৩০০ মণ পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা যাবে। ৩টি স্তরের এই সংরক্ষণ ঘরের স্থায়িত্ব কমপক্ষে ১৫-২০ বছর।
প্রতিটি ঘরে বাতাস চলাচলের জন্য থাকবে ৬টি বায়ু নিষ্কাশন পাখা। মূলত ভ্যান্টিলেশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকার কারণেই সংরক্ষিত পেয়াজ-রসুন পঁচবে না। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা পরিমাপের জন্য প্রতিটি ঘরে হাইগ্রোমিটার রয়েছে।
প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত। মোট বাজেট ২৫ কোটি টাকা।
ঢাকা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী,মাগুরা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, রাজশাহী ও পাবনার ১২টি উপজেলায় ৩শটি ঘর তৈরি করা হবে।
এক মাস পর পণ্য রপ্তানি আবার কমল। গেল মে মাসে আগের বছরের একই মাসের তুলনায় রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে ৭ শতাংশ। বুধবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
দেশের কর ব্যবস্থায় প্রথমবারের মতো দীর্ঘমেয়াদি কর পরিকল্পনা বা ট্যাক্স রোডম্যাপের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনায় ২০৩০-৩১ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা বেড়ে দাঁড়াবে সাড়ে চার লাখ টাকা। সে হিসেবে আগামী...
দেশের প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করে আগামীর বাজেট দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান...
এডিসের মারাত্মক ঝুঁকিতে দেশের চার জেলা- ঢাকা, বরিশাল, নরসিংদী ও কক্সবাজার। এখানে ব্রুটো ইনডেক্সে এডিসের লার্ভার ঘনত্ব ৭৬ থেকে ৯৩ পর্যন্ত মিলেছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে গবেষণায় মিলেছে...
সবার স্বার্থ ভেবে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষিমন্ত্রী রাজ্জাক বলেন, ‘চাষি, উৎপাদক, ভোক্তাসহ সকলের স্বার্থ বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কয়েক দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
বেশ কিছুদিন ধরেই দেশের বাজারে লাগামহীন পেঁয়াজের দাম। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের অন্যতম বৃহৎ ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ২৫ টাকা।
১৫ দিন আগেও খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারি ৫০-৫৫ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৬০-৬৫ টাকা বিক্রি হয়েছিল। ২ সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৮০ টাকা ও খুচরা বাজারে ৮৫-৯০ টাকা।
এ অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি চেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কৃষি মন্ত্রণালয় এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানায় নি।
কৃষিমন্ত্রী মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সফলভাবে পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারলে দেশে পেঁয়াজ নিয়ে অস্থিরতা ও সংকট দূর হবে এবং পেঁয়াজ নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হবে।
‘দেশে চাহিদার চেয়েও বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয়, কিন্তু এক-তৃতীয়াংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে পেঁয়াজের ঘাটতি হয়, দাম অস্বাভাবিক হয়, নানান রকম রাজনীতি শুরু হয়। পাশের দেশ ভারত থেকেই আমদানি বেশি করতে হয়, ভারত অনেক সময় রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে, এতে চরম সংকট দেখা দেয়। সেজন্য পেঁয়াজ সংরক্ষণে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘পেঁয়াজ খুবই পচনশীল ফসল। এটি রাখা কঠিন। পেঁয়াজ রাখা যায় না, শুকিয়ে যায়, পচে যায়। এর ফলে কৃষকেরা মৌসুমে কম দামে দ্রুত পেঁয়াজ বিক্রি করে দেয়। মৌসুম শেষ হলে পেঁয়াজের বাজার আমদানিকারক, ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের হাতে চলে যায়।
‘সেজন্য, আমরা পেঁয়াজ সংরক্ষণের এই পরীক্ষামূলক ঘর চালু করেছি। যেখানে ৪-৫ মাস পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা যাবে। এটিতে সফল হলে দেশে পেঁয়াজের সংকট হবে না। আমদানিও করতে হবে না, বরং রপ্তানি করা যাবে।’
পেঁয়াজ সংরক্ষণের মডেল ঘরে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ ভর্তুকি বা কৃষিখাতে বিবেচনা করার জন্য বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণের জন্য সারাদেশে সংরক্ষণাগার তৈরি করছে কৃষি মন্ত্রণালয়। কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং বিপণন কার্যক্রম উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে এই সংরক্ষণাগার তৈরি হচ্ছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, ৩৭৫ বর্গফুটের প্রতিটি ঘরে ২৫০-৩০০ মণ পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা যাবে। ৩টি স্তরের এই সংরক্ষণ ঘরের স্থায়িত্ব কমপক্ষে ১৫-২০ বছর।
প্রতিটি ঘরে বাতাস চলাচলের জন্য থাকবে ৬টি বায়ু নিষ্কাশন পাখা। মূলত ভ্যান্টিলেশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকার কারণেই সংরক্ষিত পেয়াজ-রসুন পঁচবে না। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা পরিমাপের জন্য প্রতিটি ঘরে হাইগ্রোমিটার রয়েছে।
প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত। মোট বাজেট ২৫ কোটি টাকা।
ঢাকা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী,মাগুরা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, রাজশাহী ও পাবনার ১২টি উপজেলায় ৩শটি ঘর তৈরি করা হবে।