রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল (বিএসএমএমইউ) থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মরদেহ নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় রাজধানীর দুই থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
এরমধ্যে শাহবাগ থানায় করা মামলায় আসামী করা হয়েছে সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদীসহ ৫০০০ জনকে। মামলার অন্য আসামীরা হলেন হামিদুর রহমান আজাদ, সাবেক শিবির নেতা ড. শফিকুল ইসলাম এবং ঢাকা মহানগর জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম। আর বাকী আসামীদের অজ্ঞাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মামলায়।
অন্যদিকে, যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর জানাজাকে কেন্দ্র করে বায়তুল মোকাররম মসজিদে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৬ জামায়াত নেতার নামসহ অজ্ঞাত ১৫০ জনের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত সোমবার রাত ৮ টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী।
তার মৃত্যুর খরর শোনার পর রাজধানী শাহবাগ এবং বিএসএমএমইউতে জড়ো হতে থাকে জামায়াত ও শিবিরের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। এক পর্যায়ে গভীর রাতে পুলিশের সাথে তাদের সংঘর্ষও হয়। এ সময় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
এরপর, দুপুরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ দোয়া ও মিলাদে বাঁধা দেয় জামায়াত কর্মীরা। পরে তারা পুলিশের সাথেও সংঘর্ষে জড়ায়।


সাঈদীর গায়েবানা জানাজার অনুমতি নয়: ডিএমপি কমিশনার
বায়তুল মোকাররমে শোক দিবসের মিলাদে জামায়াতের বাধা 
