রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ শিক্ষার্থী মাকিন (১৪) মারা গেছে। ৭০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিল সে। আজ শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে চিকিৎসাধীন ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।
শিক্ষার্থী মাকিন গাজীপুর সদরের কোনাপাড়া এলাকার মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে। মাকিন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। দুর্ঘটনার সময় সে ক্লাসে উপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান রহমান। তিনি জানান, মাকিনের শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ দগ্ধ ছিল এবং চিকিৎসকেরা চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেননি।
এর আগে একই দিন সকালে একই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মাইলস্টোনের চতুর্থ শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী আয়মান (১০)। আয়মান শরীয়তপুর জেলার বাসুদেবপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের মেয়ে।
গত ২১ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনের ওপর বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলসহ আশপাশে ব্যাপক আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আগুনে দগ্ধ হন। এ ঘটনা এখন পর্যন্ত জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ১৫ জন এবং ঢাকা বার্ন ইউনিটে একজনসহ মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ (শুক্রবার সকাল ১০টা) তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন অন্তত ৫১ জন।


মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: বাঁচানো গেল না শিশু আয়মানকেও
