সাবেক এনটিএমসি মহাপরিচালক এবং সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বাসভবন থেকে জব্দকৃত মালামালের তালিকা তৈরির কাজ (ইনভেন্টরি) শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালতের নির্দেশনা ও অনুমতির প্রেক্ষিতে আজ বুধবার সকাল থেকে দুদকের একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, কমিশনের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ একটি বিশেষ টিম এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন। দুদকের জনসংযোগ বিভাগ অভিযানটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
অভিযানের আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মূলত মিরপুর ডিওএইচএসে জিয়াউল আহসানের মালিকানাধীন সিটাডেল ভবনে ইনভেন্টরি কার্যক্রম চালানো হয়। এছাড়া ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএসসহ তাঁর অন্যান্য সুনির্দিষ্ট ফ্ল্যাট ও স্থাবর সম্পত্তির বিষয়েও দুদকের নজরদারি ও আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে ভবনের প্রতিটি কক্ষে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্র, আধুনিক লাইটিং, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী, নথিপত্র এবং অন্যান্য মূল্যবান মালামালের বিস্তারিত ক্রোক ও জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
এর আগে গত ২০ জুলাই নারায়নগঞ্জে জিয়াউলের জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় দুদক। ওই ফ্ল্যাট থেকে সাদা সোনা, আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, অলংকার, শোপিস, ব্যবহার্য সামগ্রীসহ বিভিন্ন সম্পদ পাওয়ার কথা জানায় দুদক।
উল্লেখ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজ নামে ২২ কোটি ২৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতায় ৮টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।



