বিয়ের সব আয়োজনই চলছে কনের বাড়িতে। বরযাত্রীও চলে এসেছেন। খাওয়া-দাওয়া তখনও হয়নি, আসেননি কাজীও। তবে, ত্রিপল নাইনে (৯৯৯) কল পেয়ে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বন্ধ করেছেন কিশোরীর বিয়ে।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুরে নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের ফেঁচিয়া গ্রামে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গ্রামবাসীর মধ্যে থেকে সচেতন কোনো এক ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বারে ফোন করে কিশোরীর বিয়ে দেয়ার আয়োজন চলছে বলে জানান। এই তথ্য পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ওই গ্রামে গিয়ে তিনি দেখতে পান, বিয়ের সব আয়োজনই চলছে সেখানে। কনের বাড়িতে বরযাত্রীও চলে এসেছেন। খাওয়া- দাওয়া তখনও হয়নি। কাজী আসেননি। প্রান্তিক কৃষক পরিবারের এই কিশোরীটি বছর তিনেক আগে লেখাপড়া ছেড়ে দিয়েছে। এ অবস্থায় বয়স অনুসন্ধান করে জানতে পারেন, প্রাপ্ত বয়স হতে এখনও কিশোরীর ১১ মাস বাকি।
ইউএনও বলেন, ‘প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে আইনি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। কনে ও বর উভয় পরিবারের অভিভাবকেরা ১১ মাস পরে এই বিয়ের আয়োজন করবেন। এর আগে বিয়ে না করানোর বিষয়ে দুই পরিবারের অভিভাবকেরাই মুচলেকা দিয়েছেন। পরে বরসহ বরযাত্রীরা বাড়ি ফিরে যান।’
তিনি আরও বলেন, এরপরও যদি বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে তাহলে আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



