রাজধানীর পূর্বাচলে শুরু হয়েছে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) জোর প্রস্তুতি। এবার মেলার মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’ প্রাঙ্গণ, যেখানে দর্শনার্থীরা দেশের ইতিহাস জানার সুযোগ পাবেন। আগামী ১ জানুয়ারি মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) চলছে ব্যস্ত কর্মযজ্ঞ। কেউ হাতুড়ি-পেরেক ঠুকছেন, কেউবা লোহার ফ্রেমে ঝালাই দিচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণ শেষ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নির্মাণ শ্রমিকরা। এরপর শুরু হবে রং ও সাজসজ্জার কাজ।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছে, ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এবার মেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে ৩৫০টির বেশি স্টল ও প্যাভিলিয়ন থাকছে। ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সুবিধায় থাকছে ই-টিকেটিং ব্যবস্থা। টিকেটের দাম গতবারের মতোই ৫০ টাকা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া শিশুদের বিনোদনের জন্য থাকছে দুটি শিশু পার্ক।
মেলার আন্তর্জাতিক মান নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন থাকলেও তা মানতে নারাজ আয়োজক প্রতিষ্ঠান ইপিবি। ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, ‘বিদেশিরা যেহেতু অংশগ্রহণ করেন এবং আমাদের লক্ষ্য থাকে নিজেদের পণ্য বিশ্ব পরিমণ্ডলে প্রচার করা, তাই একটি পরিপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার জন্য যা যা অনুষঙ্গ দরকার সবই এখানে রয়েছে। সেদিক থেকে বিচার করলে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা নামকরণে আমরা কোনো সমস্যা দেখছি না।’
দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধায় রাজধানীসহ নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী থেকে বিশেষ বিআরটিসি বাস ও উবার সার্ভিসের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছে আয়োজক কমিটি।



