জ্বালানি সংকটে মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিচালনা করা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সরকারের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবা চালু রাখা আর সম্ভব নয় জানিয়ে সম্প্রতি নিয়ন্ত্রণ সংস্থা- বিটিআরসি-কে চিঠি দিয়েছে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ- অ্যামটব।
অ্যামটবের তথ্য অনুযায়ী, মোবাইল বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশন চালু রাখতে তিন অপারেটর কোম্পানির দিনে ৫২ হাজার ৪২৫ লিটার ডিজেল এবং ১৯ হাজার ৮৫৯ লিটার অকটেন প্রয়োজন। বর্তমানে দীর্ঘ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে মোবাইল অপারেটরদের ডিজেলচালিত জেনারেটরের সাহায্যে বিটিএস সাইট ও ডেটা সেন্টারগুলো চালু রাখতে হচ্ছে।
অ্যামটব জানিয়েছে, জেনারেটর চালিয়ে একটি ডেটা সেন্টার চালু রাখতে গিয়ে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৫শ থেকে ৬শ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। লোডশেডিংয়ের কারণে বর্তমানে প্রতিদিন একটি ডেটা সেন্টার সক্রিয় রাখতে প্রায় ৪ হাজার লিটার পর্যন্ত ডিজেলের প্রয়োজন হচ্ছে।
অন্যদিকে, স্থানীয় জ্বালানি স্টেশনগুলো এই পরিমাণ ডিজেল সরবরাহ করতে পারছে না। পরিস্থিতিকে ‘গুরুতর’ ও ‘ক্রমবর্ধমান’ সংকট বলে অভিহিত করেছে অ্যামটব।



