সুগন্ধি চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে এবার মিলগুলোতে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের। সংস্থাটির মহাপরিচালক জানান, চালের মজুত তদারকি করে কারসাজির প্রমাণ পেলেই নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা। শুধু চাল নয় সামগ্রিক ভোগ্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপের তাগিদ ক্যাবের।
গত ২–৩ মাস ধরেই অস্থির সুগন্ধি চালের বাজার। রপ্তানির উন্মুক্ত সুযোগ থাকায় দেশে সরবরাহ সংকটের অজুহাতে দাম বাড়ান ব্যবসায়ীরা। বাজারে পোলাওয়ের চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়। লাগাম টানতে সুগন্ধি চাল রপ্তানিতে অনুমোদিত কোটা ৫০ শতাংশ কমায় সরকার। তবে এরপরও কমেনি দাম।
এমন পরিস্থিতে সুগন্ধি চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে আলাদা পরিকল্পনা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের। সরকারি তথ্যমতে, ৪৫ হাজার টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির জন্য ২৭৮টি কোম্পানি অনুমোদন পেলেও গত তিন মাসে রপ্তানি হয়েছে মাত্র তিন হাজার টন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘রপ্তানির অজুহাতে কেউ যেন অতিরিক্ত মজুত করে দাম না বাড়ায় সেজন্য শুরু হয়েছে নজরদারি। তদারকি দল মিলে গিয়ে বাড়তি মজুত পেলেই করবে জব্দ।’
ক্যাবের সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘দেশে কোনো ভোগ্যপণ্যের দাম একবার বাড়লে তা আর কমে না তেমন। এই বাস্তবতা মাথায় রেখে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় জোর দেওয়া প্রয়োজন।’
ভোজ্যতেল, চিনির মতোই দেশে সুগন্ধি চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে হাতেগোনা বড় ১০টি শিল্প গ্রুপ।


