সরকার ৬১ হাজার মেট্রিকটন সুগন্ধি চাল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর দেশের বাজারে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে চিনিগুড়া ও আতপ চালের দাম। নওগাঁয় মাত্র ৩ মাসে সুগন্ধি চালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হওয়ায় বাসা-বাড়ি কিংবা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে পোলাও বিরিয়ানি রান্না অনেকটাই কমেছে।
নওগাঁর বাজারে ৩ মাসের মধ্যে অস্বাভাবিক বেড়েছে সুগন্ধি চালের দাম। ৯০ থেকে ১০০ টাকার চিনিগুড়া ও আতপ চাল বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে। আর মানভেদে ১২০ টাকার চালের দাম ২২০ থেকে ২৩০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা জানান, ৬১ হাজার মেট্রিক টন চাল রপ্তানির ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে স্থানীয় বাজারেও বেড়েছে দাম।
নওগাঁ জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, ‘ব্যবসা ও কৃষির স্বার্থে চাল রপ্তানি ইতিবাচক। তবে একসাথে বেশি না করে, সারা বছর ধাপে ধাপে রপ্তানি করা উচিত। হঠাৎ রপ্তানি বন্ধ হলে ক্ষতির মুখে পড়বেন সুগন্ধি ধানের চাষিরা।’
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ‘চলতি মৌসুমে নওগাঁয় প্রায় ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে সুগন্ধি ধান চাষ হচ্ছে।’
নওগাঁ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফরহাদ খন্দকার বলেন, ‘সুগন্ধি চাল মূল খাদ্য নিরাপত্তার অংশ না হওয়ায় সাধারণ চালের বাজারে কোনো প্রভাব পড়বে না।’
বাজার ব্যবস্থাপনা ঠিক রেখে কৃষক, ভোক্তা ও রপ্তানিকারক সবার স্বার্থ রক্ষায় সরকার সঠিক পদক্ষেপ নেবে, এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।



