মধুপুরের শালবন ও পঞ্চগড় সীমান্তবর্তী এলাকায় ময়ূর ফিরিয়ে আনা সম্ভব। উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করলে প্রাকৃতিক পরিবেশে আবারও দেখা মিলবে ময়ূরের। বন্যপ্রাণী গবেষকেরা বলছেন, নেপাল, ভারত, শ্রীলঙ্কার বনে টিকে থাকলেও শুধু বাংলাদেশেই বিলুপ্ত নীল ময়ূর। তাই ময়ূর রক্ষায় জনসচেতনতার পাশাপাশি দরকার আন্তসীমান্ত কর্মকৌশল।
এশিয়ায় নীল ও সবুজ ময়ূর দেখা যায়। এর মধ্যে নীল ময়ূর সবচেয়ে জনপ্রিয়। হিমালয়ের পাদদেশ থেকে নেপাল, ভুটান ও দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত, বাংলাদেশ হয়ে শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত এর বসবাস। শতবছর আগেও এদেশে শাল-গজারির বনে বাহারি ময়ূরের আবাস ছিল। কিন্তু শিকার ও আবাস সংকটে বর্ণিল এই পাখিটি বাংলাদেশের প্রকৃতি থেকে বিলুপ্ত।
বন্যপ্রাণী গবেষক ড. মোহাম্মাদ আলী রেজা খান বলেন, নীল ময়ূর প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনতে মধুপুরের শালবনকে বেছে নিয়েছে বন বিভাগ। পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে কমপক্ষে এক বছর সময় লাগবে। তবে এই পথে আছে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ।
বন্যপ্রাণী গবেষক সীমান্ত দীপু বলছেন, উত্তরের জেলা পঞ্চগড় সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় গত কয়েক বছর ধরে নীল ময়ূরের আনাগোনা চেখে পড়ছে।
বন্যপ্রাণী গবেষক আশিকুর রহমান সোমী জানান, গ্রীষ্মের শুরুতে ভারতের দার্জিলিংয়ের বন থেকে এই ময়ূর আসে।
দেশে সবুজ ময়ূরও আছে পার্বত্য চট্টগ্রামের গহীন পাহাড়ি বনে। এই প্রজাতিটির বসবাস মিয়ানমার ও জাভার অরণ্যে। তবে সবুজ ময়ূরও আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে।



