দেশের ৬ জেলার ৪টি নদীর ৬টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
আজ শনিবার সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের ৪টি নদীর ছয়টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এগুলো হলো বান্দরবানে সাঙ্গু নদের বান্দরবান ও দোহাজারী পয়েন্ট, কুশিয়ারা নদীর সুনামগঞ্জের মারকুলি ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট, মৌলভীবাজারে মনু নদ এবং হবিগঞ্জে খোয়াই নদের বল্লা পয়েন্ট।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের ধরলা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, অপরদিকে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়ে কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে।
উদয় রায়হান আরও জানান, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার মুহুরি, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা ইত্যাদি নদীগুলোর পানি সমতলের কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। সেই সঙ্গে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে। এছাড়া লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও এসময়ে সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।



