পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষার পাশাপাশি ক্রয়কার্যে অধিক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করা হবে। একইসঙ্গে ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট বিধান সম্প্রসারণ ও উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালির আধুনিকায়ন করা হবে। টেকসই ক্রয় ব্যবস্থার অধিক সংস্থানের লক্ষ্যে পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবা ক্রয়ে নির্ণায়কের অনুপাতভিত্তিক মূল্যায়নের বিধান রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে বহুল চর্চিত ‘রেটেড ক্রাইটেরিয়া’ ধারণার সমার্থক এ পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন নির্ণায়কের ভিত্তিতে ক্রয় প্রস্তাব মূল্যায়ন করা হবে।
এছাড়া সম্পদের সুষম বিস্তারের লক্ষ্যে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ ও পেশাগত অসদাচরণ সংশ্লিষ্ট বিধান স্পষ্টীকরণসহ রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থার সংস্থান রাখা হয়েছে।
এসব যুগোপযোগী পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়। খসড়া অধ্যাদেশটি লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে মন্ত্রিসভা বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।



