বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা তুঙ্গে। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না মাঠে আছেন সরবেই। পিছিয়ে নেই বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরাও। যদিও আসনটিতে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী সাতজন। ভোটাররা বলছেন, এবার এই আসনে লড়াই ত্রিমুখী নয়, হবে দ্বিমুখী।
কেটলি প্রতীক নিয়ে অঞ্চলটির পথে-প্রান্তর চষে বেড়াচ্ছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এই হেভিওয়েট প্রার্থী।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমি ১৫ বছর লাগাতার সব আন্দোলনে ছিলাম। এমনকি অনেক সময় বিএনপির নেতার হয়তো ছিলেন না তবু আমরা মাঠে ছিলাম। আমি মনে করি এটাতে তাদের ওপর আছড় পড়বে এবং আমার ভোটের পরিমাণ কমেনি। এরকম নয় যে আমি জোটের প্রার্থী নই বলে আমার ভোট কমছে।’
তবে মাঠ ছাড়তে নারাজ বিএনপিও। ধানের শীষের প্রার্থী মীর শাহে আলম, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা আর তৃণমূলের সমর্থনকে পুঁজি করে এগিয়ে চলছেন।
মীর শাহে আলম বলেন, ‘বিপদে–আপদে প্রায় ৩২ বছর মানুষের সঙ্গে থাকবার কারণে এলাকার মানুষ আমাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনে। সবমিলিয়ে প্রার্থী, মার্কা এবং দল একাকার হয়ে গেছে। এই নির্বাচনকে আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে করছি না।’
বসে নেই জামায়াতের প্রার্থীও। সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান নিজের পুরনো ভোটব্যাংক আর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা পুনরুদ্ধারে এবার অনেক সতর্ক।
মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান বলেন, ‘দল–মত নির্বিশেষে সবারই প্রয়োজন মিটানোর জন্য আমি দৌড়াদৌড়ি করেছি, পাশে ছিলাম, কাজ করেছি তারা দেখেছে– এ জন্য আমার ওপর মানুষের আস্থা–বিশ্বাস আছে।’
নির্বাচনে বগুড়া- ২ আসনে লড়ছেন মোট সাত প্রার্থী। তবে ভোটারদের আলোচনায় ঘুরে-ফিরে আসছে নাগরিক ঐক্য, বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর নাম। চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। ভোটারদের অনেকে বলছেন, এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে।
বগুড়া ২ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪২ হাজার ১৫৫ জন। ভোটকেন্দ্র ১১৪টি, এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ২২টি।



