ম্যাচ শুরুর তখনো দুই ঘন্টা বাকি। কিউরেটররা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে উইকেটের চারপাশে ঘিরে তদারকি করছেন। ফাইনালিস্ট দুই দলের খেলোয়াড়েরা গা গরম করতে নেমে পড়েছেন মাঠে। এর মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমানকে সবার চেয়ে কিছুটা আলাদা দেখা গেল।
মাঠের একপ্রান্তে ফুটবল খেলে ম্যাচপূর্ব অনুশীলন সারছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের খেলোয়াড়েরা। অন্যদিকে বরিশালের কয়েকজনকে দেখা গেল নেটে ব্যাটিং-ফিল্ডিং প্র্যাকটিস করতে। এ সময় মোস্তাফিজকে দেখা যায় উইকেট নিবিড়ভাবে দেখতে। পাশাপাশি রানআপও মেপে নেন বাঁহাতি কাটার-মাস্টার।
চট্টগ্রাম পর্বে মাথায় আঘাত পাওয়ার পর মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে যে শঙ্কার মেঘ জমেছিল, তা অনেকটাই কমে যায় সিটি স্ক্যানের পর। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে প্রথম কোয়ালিফায়ার জিতে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর কুমিল্লা অধিনায়ক লিটন দাস জানিয়েছিলেন, ফাইনালে কাটার মাস্টারকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী তাঁরা। এরপর মোস্তাফিজ অনুশীলনও সেরে নিয়েছেন। আর আজ সবাই যখন গা গরমে ব্যস্ত, তখন তিনি উইকেটের পাশে।
তাতেই ফিসফিসানি শুরু হয়ে যায়, তাহলে কি মোস্তাফিজকে আজ কুমিল্লার একাদশে দেখা যাচ্ছে? ইঙ্গিত তেমনই।
রান আপ চেক করে একটু পরেই কুমিল্লার সতীর্থদের সঙ্গে ফুটবল খেলায় অংশ নেন মোস্তাফিজ। অন্যদিকে মাহমুদউল্লাহ-সৌম্যরা ব্যাটিং অনুশীলন করেই যাচ্ছেন এক প্রান্তে। পরে অবশ্য একটা ফুটবল নিয়ে চোর-পুলিশ খেলায় মাতেন বরিশালের খেলোয়াড়েরাও। এ সময়েও এক মনে ব্যাটিং প্রাকটিস করে যাচ্ছিলেন ডেভিড মিলার। হয়তো ফাইনালে ঝড় তুলতে চান এ প্রোটিয়ান। দেখা যাক, মোস্তাফিজরা কতটা সামলাতে পারে বরিশালের শেষ মুহূর্তের অনুশীলন।



