রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে হামলা ও মারধরের অভিযোগে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিভাবক। আদালত অভিযোগটি তদন্তের দায়িত্ব পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দিয়েছে।
বুধবার রাজশাহীর মতিহার থানা আমলি আদালতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মাহিনের বাবা আসাদ উজ জামান এ অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার, এজিএস সালমান সাব্বির, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মেহেদী সজীব, সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা, জিয়া হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসান উল্লাহ ফারহান এবং নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভেতর ও বাইরে ছুরি, রড, বেলচা ও বাঁশের লাঠি নিয়ে একদল ব্যক্তি মাহিনকে ঘিরে ধরে মারধর করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, সালাউদ্দিন আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহিনের মাথা ও কপালে আঘাত করেন। এছাড়া সালমান সাব্বিরও রড দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তা তার বাম চোখে লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। অন্য আসামিরা তার বুক, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া চার আসামি তাকে মাটিতে ফেলে বুক ও গলায় চাপ দিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও উপস্থিত লোকজন মাহিনকে হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করলে আসামিরা তাকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে টেনে নামিয়ে পুনরায় মারধর করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই দিন কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে তিন শিক্ষার্থী হামলা ও মারধরের শিকার হন।
আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব পিবিআইকে দিয়েছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



