কানপুর টেস্টের আড়াইদিন কোনো খেলা হয়নি বৃষ্টি ও মাঠ খেলার উপযোগী না হওয়ায়। আজ চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ যখন প্রথম ইনিংসে অলআউট হল, তখন সফরকারীদের স্কোরবোর্ডে ২৩৩ রান। চলমান সেশন ধরলেও এ টেস্টে পাওয়া যাবে আর মোটে ৫টি সেশন। ভারত বোধহয় এতেই ম্যাচের ফল বের করার চেষ্টা করছে। নইলে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে এমন বিধ্বংসী ব্যাটিং কেনো করবেন যশস্বী জয়সোয়াল-রোহিত শর্মারা।
দুই ওপেনার মাত্র ৩ ওভারেই ৫১ রান তুলেছেন। তাতে একটা বিশ্বরেকর্ডই নতুন করে লিখেছেন রোহিত শর্মারা। টেস্টে এটাই দ্রুততম দলীয় ফিফটির বিশ্বরেকর্ড। এরপর ১০.১ ওভারে সেঞ্চুরি ছুঁয়ে শতরানের বিশ্বরেকর্ডও গড়েছে জয়সোয়ালরা। আগের রেকর্ডটিও ছিল ভারতের (১২.২ ওভার)।
দ্রুততম দলগত ফিফটির আগের রেকর্ডটি ছিল ইংল্যান্ডের। চলতি বছরের জুলাইয়ে নটিংহামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ৪.২ ওভারে দলগত ফিফটি করেছিল ইংলিশরা। ভেঙেছিল নিজেদের ৩০ বছর আগে গড়া ৪.৩ ওভারের রেকর্ড। কিন্তু ইংল্যান্ডের রেকর্ড দুই মাসও স্থায়ী হতে দিলেন না রোহিতরা।
টেস্টে দলগত দ্রুততম ফিফটি:
|
ওভার |
দল |
প্রতিপক্ষ |
ভেন্যু |
সাল |
|
৩.০ |
ভারত |
বাংলাদেশ |
কানপুর |
২০২৪ |
|
৪.২ |
ইংল্যান্ড |
ওয়েস্ট ইন্ডিজ |
নটিংহাম |
২০২৪ |
|
৪.৩ |
ইংল্যান্ড |
দক্ষিণ আফ্রিকা |
ওভাল |
১৯৯৪ |
|
৪.৬ |
ইংল্যান্ড |
শ্রীলঙ্কা |
ম্যানচেস্টার |
২০০২ |
|
৫.২ |
শ্রীলঙ্কা |
পাকিস্তান |
করাচি |
২০০৪ |
|
৫.৩ |
ভারত |
ইংল্যান্ড |
চেন্নাই |
২০০৮ |
|
৫.৩ |
ভারত |
ওয়েস্ট ইন্ডিজ |
পোর্ট অব স্পেন |
২০০৩ |
আজ ঝড়ের শুরুটা করেন জয়সোয়াল। ইনিংসের প্রথম ওভারের হাসান মাহমুদকে তিনটি চার মারেন তিনি। খালেদ আহমেদের পরের ওভারে রোহিত মারেন দুই ছক্কা। সঙ্গে জয়সোয়াল একটি চার মারলে ওই ওভার থেকে ১৭ রান পায় ভারত। দুই ওভার শেষে ভারতের স্কোরবোর্ডে ২৯ রান!
হাসান মাহমুদের পরের ওভার থেকে রোহিত-জয়সোয়াল আদায় করেন ২২ রান। আর তাতেই রেকর্ড বইয়ে উঠে যায় এ জুটি।
অবশ্য রেকর্ড হওয়ার পরে বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি রোহিত। চতুর্থ ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজের তৃতীয় ডেলিভারিতে রিভিউ নিয়ে বেঁচে গেলেও পরের বলে বোল্ড হয়ে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন ভারতীয় অধিনায়ক (১১ বলে ২৩ রান)।
এ প্রতিবেদন লেখার সময় ভারতের রান ১১ ওভারে ১১০। জয়সোয়াল ৬৯ রানে (৪২ বল) ও শুবমান গিল ১৬ রানে (১৪ বল) ব্যাটিং করছেন।


