গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ম্যাচ খেলেছে তিমুর-লেস্তে। ইন্দোনেশিয়াতে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল তিমুর। আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ভিন্নধর্মী এক বিরল রেকর্ডে নাম উঠেছে দেশটির। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবারে মতো একই ম্যাচে জুটি বেঁধে খেলেছেন বাবা-ছেলে।
পিতা সুহাইল সাত্তার ও ছেলে ইয়াহইয়া সুহাইল, দুজনেই একসঙ্গে খেলে সে ইতিহাস লিখেছেন। ইতিহাস লেখার ম্যাচটাতে ১০ উইকেটে হেরেছে তিমুর।
ছেলে ইয়াহইয়ার বয়স ১৭ বছর, আর পিতা সাত্তারের বয়স ৫০। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুজনেরই অভিষেক ম্যাচ। এ ম্যাচে পিতা সাত্তার ১৪ রান করলেও ছেলে ইয়াহইয়া আউট হয়েছেন মোটে ১ রান করেই।
বালিতে আয়োজিত এ ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে ১৯ ওভার পর্যন্ত টিকে ছিল তিমুর। তাতে সব উইকেট হারানোর আগে স্কোরবোর্ডে ৬১ রান যোগ করতে পারে দলটি। এ রান তাড়া করতে ইন্দোনেশিয়ার লেগেছে মোটে ৪ ওভার। দুই ওপেনারের কল্যাণে ইনিংসের ৯৬ বল ও ১০ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচটা জিতেছে ইন্দোনেশিয়া।
ম্যাচ হারলেও বাবা-ছেলের অনন্য কীর্তিতে আলোচনায় তিমুর। দুজন যে শুধু একই দলে খেলেছেন, এমন নয়, মাঠে একইসঙ্গে জুটিও বেঁধেছিলেন। অবশ্য দুজনের ৯ বলের জুটিতে তিমুর মোটে ২ রান পেয়েছে।
ছেলেদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইয়াহইয়া-সাত্তারের কল্যাণে প্রথমবার এ কীর্তি দেখা গেলেও মেয়েদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মা-মেয়ের একই দলে খেলার ঘটনা আগেও ঘটেছে।
সুইজারল্যান্ড নারী দলের হয়ে একসঙ্গে খেলেছেন মা-মেয়ে জুটি মেটি ফার্নান্দেস ও নায়না মেটি সাজু। দুজনে একসঙ্গে জুটি বেঁধে এ বছর এখন পর্যন্ত ৬টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে না হলেও ঘরোয়া পর্যায়ে বিশ্ব ক্রিকেটে বাবা ছেলের একসঙ্গে খেলা কিংবা একে অপরের বিপক্ষে খেলার বেশ কয়েকটি উদাহরণ আছে। গায়ানার হয়ে প্রথম শ্রেণির ১১টি ম্যাচে একসঙ্গে খেলেছেন শিবনারায়ণ চন্দরপল ও তাঁর ছেলে তাগেনারিন চন্দরপল। এর মধ্যে ২০১৪ সালের মার্চে একটি ম্যাচে বাবা চন্দরপলই ছিলেন দলের অধিনায়ক।
সম্প্রতি ২০২৫ সালের শপাজিগা ক্রিকেট লিগের ফাইনালে আফগানিস্তানের তারকা ক্রিকেটার মোহাম্মদ নবী খেলেছেন তাঁর ছেলে হাসান এইসাখিলের বিপক্ষে।



