২০২৬ ব্যালন ডি’অর বিজয়ীর নাম জানা গেছে সপ্তাহখানেক আগেই। কিন্তু এরপরও সেটার রেশ যেন কাটছে না। কিলিয়ান এমবাপ্পে-লামিন ইয়ামালের মতো তারকাদের পেছনে ফেলে এবারের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখে খেলা ইংলিশ স্ট্রাইকার ১০৫৫ পয়েন্ট নিয়ে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের এ পুরস্কার জেতেন।
দুইয়ে থাকা এমবাপ্পের পয়েন্ট ছিল ১০২৭। আর তৃতীয় হওয়া ইয়ামাল ভোটে ৮৮১ পয়েন্ট পেয়েছেন। মূলত ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ ১০০ দেশের সাংবাদিকদের ভোটে এই পয়েন্ট নির্ধারিত হয়েছে। সেই ভোটে স্পেনের সাংবাদিকের প্রথম পছন্দ ছিলেন না ইয়ামাল। তিনি বরং ইয়ামালকে দুইয়ে রেখে ভোটিংয়ে এক নম্বরে এমবাপ্পেকে রেখেছিলেন।
ভোটের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এ নিয়ে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়। তবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন স্পেনের হয়ে ভোট দেওয়া হোসে ফেলিক্স দিয়াস। তাঁর মতে, গত মৌসুমের পারফরম্যান্স বিবেচনায় ইয়ামাল এমবাপ্পের পেছনেই ছিলেন।
দিয়াস বলেছেন, ‘যদি চলতি মৌসুমের পারফরম্যান্স বিবেচনা করে আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়, ব্যালন ডি’অর কার প্রাপ্য, তাহলে নিঃসন্দেহে আমি লামিন ইয়ামালের নাম বলব। কিন্তু আমরা বিচার করছি গত মৌসুমের পারফরম্যান্স। আর আমার চোখে, গত মৌসুমে ইয়ামালের চেয়ে ভালো খেলেছেন এমবাপ্পে।’
গত মৌসুমে স্পেন বিশ্বকাপ জিতেছে। অন্যদিকে এমবাপ্পের ফ্রান্স বিদায় নিয়েছে সেমিফাইনালে। এরপরও এমবাপ্পেকেই এগিয়ে রাখছেন তিনি, ‘বিশ্বকাপে স্পেনের অন্য খেলোয়াড়দের চেয়ে ইয়ামাল বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, এটা আমি বিশ্বাস করি না। স্পেন বিশ্বকাপ জিতেছে পুরো দলের সম্মিলিত শক্তিতে।’
এমবাপ্পের প্রশংসায় দিয়াস বলেন, ‘বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন এমবাপ্পে। তাঁর হাত ধরেই সেমিফাইনালে উঠেছিল ফ্রান্স। আমার মতে, গত মৌসুমজুড়ে সবচেয়ে সেরা মানের এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন এমবাপ্পেই।’


