সরকারি চাকরিতে বেড়েছে নারীর অংশগ্রহণ

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৭ এএম

বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর সরকারি চাকরিতে বাড়ছে নারীর অংশগ্রহণ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সবশেষ তথ্য বলছে, ৬৪ জেলার মধ্যে ২১ জেলার দায়িত্ব সামাল দিচ্ছেন নারী জেলা প্রশাসকরা (ডিসি)। পাশাপাশি বেড়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণও। বর্তমানে মোট সরকারি চাকরিজীবীর মধ্যে ২৯ শতাংশ নারী, যা পাঁচ বছর আগেও ছিল ২৬ শতাংশ। অর্থাৎ, পাঁচ বছরে সরকারি চাকরিতে নারী কর্মী বেড়েছে ৩ শতাংশ।

ঢাকায় আড়াইশ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হয়েছেন ফরিদা খানম। ২০০৬ সালে রাজশাহীতে সহকারী কমিশনার হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। চাকরি জীবনে রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, শরীয়তপুর, টাঙ্গাইল, ফেনী ও নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে রাজাধানীর রাজস্ব আদায়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন ফরিদা খানম। 

তিনি বলেন, 'আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহারে যে ৩১ দফা দিয়েছেন, এই ৩১ দফার ২৩তম দফায় কিন্তু তিনি বলেছেন নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে। ২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নারীর অংশগ্রহণ ছিল ২৬ শতাংশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার পর এই ৬ মাসে সেটা ৩ শতাংশ বেড়েছে।'

বরিশাল সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা। তিনি মনে করেন, দায়িত্ব পালনে জেন্ডার কোন ইস্যু নয়। প্রশাসনিক পর্যায়ে নারীরা প্রতিযোগিতায় টিকে নিয়োগ পাচ্ছেন। 

এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, একজন নারী অফিসারকে নারী হিসেবে নয়, বরং একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে দেখা উচিত।

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে খাল খনন প্রকল্পে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী। জেলার ডোমার উপজেলার এই নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, অনেক সময় দেখা যায় যে, একজন পুরুষ অফিসারকে স্যার বলা হচ্ছে, কিন্তু আমাকে আপা বলা হচ্ছে। আসলে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি এখনও সে পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে সেটা নিয়ে আমি কিছু মনে করি না, কারণ আমার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, সেবা দেওয়া।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, প্রশাসনে আগের সব রেকর্ড ভেঙে বর্তমানে ৬৪ জেলার মধ্যে ২১ জেলার দায়িত্ব সামাল দিচ্ছেন নারী জেলা প্রশাসকরা। বিভাগ ভিত্তিক হিসাবে ঢাকা বিভাগে নারী ডিসির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এখানে ১৩ জেলার মধ্যে ৯ জেলায় নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছেন। 

এ ছাড়া বর্তমানে দেশের ৪৯৯টি উপজেলার মধ্যে ১৯১টিতে দায়িত্ব পালন করছেন নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। অর্থাৎ, প্রায় ৩৯ ভাগ উপজেলায় প্রশাসনের নেতৃত্বে রয়েছেন নারী কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, মাঠ প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ পদে একসঙ্গে এত বেশিসংখ্যক নারী এর আগে কখনো দায়িত্ব পালন করেননি। সংশ্লিষ্টরা মনে করে, প্রধানমন্ত্রীর স্বদিচ্ছায় দেশে নারীর ক্ষমতায়ন গুরুত্ব পাচ্ছে।

সৌন্দর্যশিল্প খাতের ৯৯ জন উদ্যোক্তার উঠে আসার গল্প নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে ‘চলো এগিয়ে যাই’ বই। সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ এবং উজ্জ্বলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সহপ্রতিষ্ঠাতা আফরোজা পারভীনের পরিকল্পনা ও সম্পাদনায়...
হয়তো আপনার পরিচিত কোনো স্কুলপড়ুয়া মেয়ের ফেসবুক আইডি থেকে অদ্ভুত কিছু বার্তা পেলেন। অবাক হবেন না, হয়তো আপনার পরিচিত সেই মেয়েটি সাইবার অপরাধের নির্মম শিকার। এমন ভুয়া আইডি তৈরি করে বিভিন্নজনকে পাঠানো...
ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা ও মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করতে হবে। নারী উদ্যোক্তা ও সামাজিক উন্নয়ন নিয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
দেশে মোট শ্রমশক্তি সাত কোটির বেশি, এর মধ্যে দুই কোটিরও বেশি নারী। যা এখন মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৩৯ শতাংশ। বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে অবদান বাড়লেও মজুরি আর মর্যাদায় এখনো পিছিয়ে নারীরা। কমেনি বৈষম্য। খাত...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন, সংবিধান দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও উৎসব পালনের শতভাগ অধিকার দিয়েছে। তাই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনে কোনো দুশ্চিন্তা বা শঙ্কার...
রক্তস্নাত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রসংস্কারের যে অভূতপূর্ব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
লোডিং...
পঠিত নির্বাচিত

এলাকার খবর