নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে গ্রেপ্তারের পর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করছেন তাঁর সমর্থকেরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ শনিবার ভোরে কাঠমান্ডুতে নিজ বাসভবন থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। এর পরপরই তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে নেপালজুড়ে ব্যাপক গণবিক্ষোভ শুরু হয়। সেই বিক্ষোভ দমনে নেওয়া কঠোর ব্যবস্থায় প্রাণহানির ঘটনায় কেপি শর্মাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মূলত দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক সংকট থেকে তৈরি হওয়া এই ক্ষোভ গণ-আন্দোলনের রূপ নেয়। সেই সময় পুলিশের গুলিতে অন্তত ৭০ জন নিহত হন।
বিক্ষোভ দমনে সরকারি ভূমিকা তদন্তে গঠিত একটি প্যানেল সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকের বিরুদ্ধে 'ফৌজদারি অবহেলার' অভিযোগে বিচারের সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই আজ ওলির পাশাপাশি রমেশ লেখককেও গ্রেপ্তার করা হয়।
কাঠমান্ডু পুলিশের মুখপাত্র ওম অধিকারী জানান, ওলির বয়স এবং তাঁর দুবার কিডনি প্রতিস্থাপনের ইতিহাস বিবেচনায় তাঁকে হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
নেপালে এই নাটকীয় গ্রেপ্তারের মাত্র এক দিন আগে দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বালেন শাহ।


নতুন প্রধানমন্ত্রী শপথ নেওয়ার পরদিনই গ্রেপ্তার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী
