অলরাউন্ডার কেশব রাজের সঙ্গে যে ভারতের যোগসূত্র রয়েছে, তা বুঝতে শার্লক হোমস কিংবা ব্যোমকেশ বক্সী হতে হয় না! বরং নামটিই সেই কথা বলে দেয় ক্রিকেটপ্রেমীদের। তেমনি লেরিশাও একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। জানা যায়, ক্রিকেটারের পূর্বপুরুষদের আবাসস্থল ছিল উত্তর প্রদেশের সুলতানপুর। ১৮৭৪ সালের দিকে শ্রমিক হিসেবে তাঁরা পাড়ি দেন দক্ষিণ আফ্রিকায়। তারপর থেকে পাকাপাকিভাবে সেখানকারই বাসিন্দা মহারাজ পরিবার। এমনকি লেরিশার পারিবারিক যোগসূত্রও ভারতের উত্তর প্রদেশেই।
একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, কেশব-লেরিশার প্রথম পরিচয় বন্ধু-বান্ধবের মাধ্যমে। তারপর সেই পরিচয়টা আরও গাঢ় হতে থাকে। বাড়তে থাকে একে অপরের প্রতি আগ্রহ। একসময় শুরু হয় দেখা করার পর্ব। প্রথমে দুজনের মধ্যে ভাল বন্ধুত্ব ছিল। কখন তা প্রেমে রূপান্তর হলো সেটা বুঝতে পারেনি দুজনের কেউই!
মজার বিষয় হলো—দীর্ঘদিন চুপিসারেই চলেছে এই প্রেমপর্ব। দুজনে একে অপরকে ভালোবাসার কথা জানালেও পরিবারের লোকজনের কাছে তা প্রকাশ করেননি। কারণ, দুজনের কাছেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বোঝানো।
কেশব ও তাঁর বান্ধবী লেরিশার কাছে পরিবারকে বোঝানোর বিষয়টি ছিল যুদ্ধ জয়ের সামিল। এই নিয়ে একটি মজার ঘটনাও ঘটেছে। কেশব তাঁর মাকে খুশি করার জন্য অনন্য এক উপায় খুঁজে পেয়েছিলেন। মায়ের ৫০তম জন্মদিনে একটি নৃত্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন তিনি। যেখানে তাঁর বান্ধবী লেরিশা কত্থক নৃত্য পারফর্ম করেছিলেন। নেচেছিলেন কেশবও! লেরিশাকে ছেলের সঙ্গে নাচতে দেখে তাঁর মা বুঝে ফেলেছিলেন যে, ছেলে তাঁর কাছ থেকে কী আশা করছে! অবশেষে গত বছরের ১৬ এপ্রিল ধুমধাম করে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
সোশ্যাল মিডিয়াতেও খুব সক্রিয় লেরিশা। মাঝেমধ্যেই নাচের ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। বিশেষ করে বলিউডের হিন্দি সিনেমার গানে নাচতে খুবই ভালোবাসেন এই সুন্দরী।
প্রসঙ্গত, লেরিশা ও কেশব দুজনেরই বেড়ে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে। আর ছোটবেলা থেকেই বাবা-মায়ের বদৌলতে ভারতীয় সাংস্কৃতিক আবহে বড় হয়েছেন লেরিশা। আর কেশবের পরিবারে দাদা ও বাবা দুজনই ক্রিকেট খেলতেন।


জমকালো আয়োজনে বিয়ে হয়েছিল অভিনেত্রী অনুরাধা ও ক্রিকেটার করুনারত্নের
পাকিস্তানি পেসার রউফের স্ত্রী কে এই মডেল মুজনা
