পর্যাপ্ত সরবরাহের পরও চালের বাজারে অস্থিরতা কাটছে না। সব ধরনের চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৬ টাকা পর্যন্ত। বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। তবে মন্ত্রণালয়ের অভিযানের কোনো দৃশ্যমান প্রতিফলন মিলছে না বাজারে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভিযানের পরও রাজধানীর বাজারগুলোতে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে চাল। এসব বাজারে কেজিতে ৫৫ টাকার কমে মিলছে না কোনো মোটা চালই। মিনিকেট কিনতে হচ্ছে কেজিতে ৭৩ টাকা পর্যন্ত।
বিক্রেতারা বলছেন, দশদিন আগে যে দাম বেড়েছিল, এখনো সেই দামেই বিক্রি হচ্ছে। কমছেও না বাড়ছেও না। এমন হলে চলবে না। নির্বাচনের পর এই দাম বাড়ানো হয়। মিলারেরা বলছেন, চালের দাম বেশি।
মিলার থেকেই এসব নিয়ন্ত্রণ করা হয় দাবি করে বিক্রেতারা বলছেন, মিলারেরা চাইলে চালের দাম কমাতে পারেন। তাদের কাছে পর্যাপ্ত ধান ও চাল মজুত রয়েছে। নিয়মিত মনিটরিং করলে হয়তো চালের দাম কমানো সম্ভব।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাজধানীর বাবুবাজার, মোহম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও কারওয়ান বাজারে ৫৫ টাকার কমে মিলছে না মোটা চাল। নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০ টাকা পর্যন্ত। আটাশ জাতের চালের জন্যও গুনতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।
এদিকে চালের এই বাড়তি দামের জন্য মিলারদের সিন্ডিকেটকে দুষছেন ক্রেতারা। দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি তাদের। চাল কিনতে বাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন, মিল মালিক বাড়ানোর কারণে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছে। সবাই বলছে কমবে। কিন্তু কবে কমবে তা এখনো বোঝা যাচ্ছে না। এখন বাজার যেভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে, সেভাবে করলে হয়তো বাজার স্থির থাকবে।
এদিকে প্রতিযোগিতা করে ধান কেনা থেকে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। এছাড়া অবৈধ মজুত করলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সচিবালয়ে দেশের ৬ করপোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথে এক সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।



