ঈদে ভ্রমণ বিলাসে বাধ সেধেছে উড়োজাহাজের বাড়তি ভাড়া। প্রতিবেশী দেশের তুলনায় দেশের বিমান ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ায় অনেকেই বিদেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন। ঈদে নেই এয়ারলাইনসগুলোর কোনো বিশেষ অফার। এ অবস্থায় অলস সময় পার করছে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো।
১০ বছর ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে জড়িত উজ্জ্বল রহমান। সাধারণত দেশের বাইরে ঘুরতে যাওয়া মধ্যবিত্তরাই তার এজেন্সি থেকে সেবা নিয়ে থাকেন। তিনি বলছেন, আকাশপথের টিকিটের দাম অনেক বেড়েছে।
শুধু কি তাই! একই মডেলের বিমানে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুবাই যাত্রার খরচ ৩৯ হাজার টাকা। অথচ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এই ফ্লাইটের খরচ প্রায় ৭০ হাজার টাকা। কোনো কোনো রুটে কলকাতার চেয়ে তিন গুণ খরচ বেশি বাংলাদেশে।
স্কাই ভিশন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের সিওও এ এইচ উজ্জ্বল রহমান বলেছেন, আগে যে গন্তব্যে ১৪ হাজার টাকায় যাওয়া যেত, এখন সেখানে যেতে গুনতে হচ্ছে ৩৪ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ ভাড়া দ্বিগুণেরও বেশি টাকা বেড়েছে। এ কারণে অনেকেই উড়োজাহাজে ভ্রমণবিমুখ হচ্ছে।
পাশাপাশি দুটি দেশে ভাড়ার এমন পার্থক্য কেন? এ প্রশ্নের উত্তরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো.কামরুল ইসলাম বলেন, বিমানের ধরন, সেবার মান, সময় ও দেশ নানা বিষয় বিবেচনায় ভাড়া কমবেশি হতে পারে।
উড়োজাহাজের টিকিট বিক্রি করা এজেন্সিগুলোর সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ ট্রাভেল এজেন্ট অফ বাংলাদেশের (আটাব) সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ বলেন, আকাশপথের ভ্রমণে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ভাড়ার সীমা বেঁধে দেওয়া উচিত।



