
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় কাপ্তাই সড়ক অবরোধ করে রেখেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। বাসচালক ও সহকারীকে গ্রেপ্তার, কাপ্তাই সড়ক থেকে এবি ট্রাভেলস ও শাহ আমানত বাস তুলে দেওয়াসহ নানা দাবি জানান তাঁরা।
এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিপাকে পড়েছেন সড়কের দুইপাশে চলাচলকারী লোকজন। আর বিষয়টি সমাধানে আলাপ–আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে চুয়েট প্রশাসন।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় চুয়েটের মূল ফটকের সামনে কাপ্তাই সড়কে অবস্থান নেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। তাঁরা গাছের গুড়ি ফেলে ও টায়ার পুড়িয়ে রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ সময় স্লোগান দিয়ে দোষী চালক ও সহকারীর শাস্তি দাবি করতে থাকেন তাঁরা। পরে কাপ্তাই সড়ক থেকে এবি ট্রাভেল ও শাহ আমানত পরিবহন বন্ধ করে দেওয়া, সড়ক প্রশস্ত করাসহ বেশকিছু দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। দাবি মানা না হলে আন্দোলন চলমান থাকবে বলে জানান তাঁরা।
এ বিষয়ে চুয়েট উপাচার্য প্রফেসর ড. রফিকুল আলম বলেন, দুপুরে নিহত শিক্ষার্থী তৌফিকের গায়েবানা নামাজ অনুষ্টিত হয়। বিষয়টি সমাধানে আলাপ–আলোচনা চলছে।
উল্লেখ্য, সোমবার বিকেল শাহ আমানত পরিবহনের বাসের ধাক্কায় মারা যান চুয়েট শিক্ষার্থী শান্ত সাহা ও তৌপিক হাসান। এ ঘটনায় মামলা হলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।



